০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনায় আ.লীগ মেয়র প্রার্থীর ৩১ দফা ইশতেহার

সর্বাধিক নাগরিক সুবিধা এবং জলাবদ্ধতামুক্ত আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। বুধবার দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ইশতেহারে হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, কেসিসি’কে দুর্নীতিমুক্ত করা, সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, মাদকমুক্ত নগর গড়ে তোলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সিটি সেন্টার গড়ে তোলা এবং বিনামূল্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি, পার্ক-উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টি, মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে রাস্তার নামকরণ, সোলার পার্ক আধুনিকায়ন, বধ্যভূমিগুলোর স্মৃতি সংরক্ষণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তালুকদার আব্দুল খালেক।

এছাড়া আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ, খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন, ওয়াসা, কেডিএ, রেলওয়ে, টেলিকমিউনিকেশন ও বিদ্যুৎ পরিসেবার উন্নয়ন এবং খুলনা মহানগরী সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

খালেক বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই সময়ে মহাজোট সরকারের আমলে খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সর্বাধিক এক হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে প্রায় দুইশ ৭৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছিল। অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীলতা পেয়েছিল।

২০১৬ সালের মধ্যে সব উন্নয়ন কাজ পর্যায়ক্রমে শেষ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সঙ্গত কারণে তা সম্ভব হয়নি। পুনরায় নির্বাচিত হলে আমার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নগরবাসীকে অধিকতর সেবা দিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন বলেও জানান তালুকদার আব্দুল খালেক।

এ সময় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শেখ হারুনার রশীদ, সমন্বয়কারী এসএম কামাল হোসেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল, সাবেক এমপি সোহরাব আলী সানাসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

খুলনায় আ.লীগ মেয়র প্রার্থীর ৩১ দফা ইশতেহার

প্রকাশিত : ০২:২৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮

সর্বাধিক নাগরিক সুবিধা এবং জলাবদ্ধতামুক্ত আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। বুধবার দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ইশতেহারে হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, কেসিসি’কে দুর্নীতিমুক্ত করা, সিটি গভর্নমেন্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, মাদকমুক্ত নগর গড়ে তোলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সিটি সেন্টার গড়ে তোলা এবং বিনামূল্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি, পার্ক-উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টি, মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে রাস্তার নামকরণ, সোলার পার্ক আধুনিকায়ন, বধ্যভূমিগুলোর স্মৃতি সংরক্ষণ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন তালুকদার আব্দুল খালেক।

এছাড়া আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ, খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন, ওয়াসা, কেডিএ, রেলওয়ে, টেলিকমিউনিকেশন ও বিদ্যুৎ পরিসেবার উন্নয়ন এবং খুলনা মহানগরী সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

খালেক বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই সময়ে মহাজোট সরকারের আমলে খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সর্বাধিক এক হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। এরমধ্যে বিভিন্ন খাতে প্রায় দুইশ ৭৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছিল। অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীলতা পেয়েছিল।

২০১৬ সালের মধ্যে সব উন্নয়ন কাজ পর্যায়ক্রমে শেষ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সঙ্গত কারণে তা সম্ভব হয়নি। পুনরায় নির্বাচিত হলে আমার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নগরবাসীকে অধিকতর সেবা দিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন বলেও জানান তালুকদার আব্দুল খালেক।

এ সময় খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শেখ হারুনার রশীদ, সমন্বয়কারী এসএম কামাল হোসেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক কাজী আমিনুল হক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল, সাবেক এমপি সোহরাব আলী সানাসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।