০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সাতকানিয়ায় বন্যহাতির আক্রমণে নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু

সাতকানিয়ায় বন্যহাতির আক্রমণে এক নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম ফাতেমা বেগম (৪০)। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার চরতি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা চরতি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মধ্যম দুরদুরি নতুন পাড়ার মো. সেলিম উদ্দিনের স্ত্রী।

বন বিভাগ ও এলাকাবাসী জানান, গতকাল বিকালে বন্যহাতির একটি পাল চরতি ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় আসে। এদিকে, মধ্যম দুরদুরি নতুন পাড়ার সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমসহ কয়েকজন নারী চা শ্রমিক কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা গাদার ঘোনা এলাকায় আসার পর বন্যহাতির পালের সামনে পড়ে। এসময় অন্যান্যরা পালিয়ে যেতে পারলেও ফাতেমা বেগম হাতির আক্রমণে মারা যান।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগগের মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মামুন মিয়া জানান, হাতির আক্রমণে এক নারী চা শ্রমিক মারা গেছেন। হাতির আক্রমণে মারা গেলে তার পরিবারকে সরকারিভাবে সহায়তা করার নিয়ম রয়েছে। আমরা তার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে সরকারিভাবে ঘোষিত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তিনি আরো জানান, বন্যহাতির পাল এখনো এলাকায় অবস্থান করছে। হাতির পালটিকে লোকালয় থেকে সরিয়ে পাহাড়ে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বন বিভাগের লোকজন কাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

সাতকানিয়ায় বন্যহাতির আক্রমণে নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৪:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

সাতকানিয়ায় বন্যহাতির আক্রমণে এক নারী চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম ফাতেমা বেগম (৪০)। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার চরতি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা চরতি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মধ্যম দুরদুরি নতুন পাড়ার মো. সেলিম উদ্দিনের স্ত্রী।

বন বিভাগ ও এলাকাবাসী জানান, গতকাল বিকালে বন্যহাতির একটি পাল চরতি ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় আসে। এদিকে, মধ্যম দুরদুরি নতুন পাড়ার সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমসহ কয়েকজন নারী চা শ্রমিক কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা গাদার ঘোনা এলাকায় আসার পর বন্যহাতির পালের সামনে পড়ে। এসময় অন্যান্যরা পালিয়ে যেতে পারলেও ফাতেমা বেগম হাতির আক্রমণে মারা যান।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগগের মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মামুন মিয়া জানান, হাতির আক্রমণে এক নারী চা শ্রমিক মারা গেছেন। হাতির আক্রমণে মারা গেলে তার পরিবারকে সরকারিভাবে সহায়তা করার নিয়ম রয়েছে। আমরা তার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে সরকারিভাবে ঘোষিত আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তিনি আরো জানান, বন্যহাতির পাল এখনো এলাকায় অবস্থান করছে। হাতির পালটিকে লোকালয় থেকে সরিয়ে পাহাড়ে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বন বিভাগের লোকজন কাজ করছে।