০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভালুকায় অগ্নিদগ্ধ পিতার মৃত্যু

ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ বাবা-ছেলের  মধ্যে বাবা আব্দুল মালেক পাঠান (৬৫) মারা গেছেন।

আজ রবিবার সকালে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।  আব্দুল মালেকের এক স্বজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আব্দুল মালেকের বাড়ি ভালুকা উপজেলার ভাণ্ডার গ্রামে।

গত শনিবার (০৯ অক্টোবর) সকালে ঢাকা ভালুকা পৌরসভার কোর্টভবন এলাকায় ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্লোরে অগ্নিদগ্ধ হন আবদুল মালেক ও তার ছেলে কাজল মিয়া।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু পিতা-পুত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে পরে ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রবিবার সকালে আব্দুল মালেক পাঠান মৃত্যুবরণ করেন।  মালেকের অগ্নিদগ্ধ ছেলে কাজল মিয়ার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভালুকায় অগ্নিদগ্ধ পিতার মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৮:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২

ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ বাবা-ছেলের  মধ্যে বাবা আব্দুল মালেক পাঠান (৬৫) মারা গেছেন।

আজ রবিবার সকালে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।  আব্দুল মালেকের এক স্বজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আব্দুল মালেকের বাড়ি ভালুকা উপজেলার ভাণ্ডার গ্রামে।

গত শনিবার (০৯ অক্টোবর) সকালে ঢাকা ভালুকা পৌরসভার কোর্টভবন এলাকায় ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্লোরে অগ্নিদগ্ধ হন আবদুল মালেক ও তার ছেলে কাজল মিয়া।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু পিতা-পুত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে পরে ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রবিবার সকালে আব্দুল মালেক পাঠান মৃত্যুবরণ করেন।  মালেকের অগ্নিদগ্ধ ছেলে কাজল মিয়ার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।