০৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

গজারিয়ায় নাজমা জেনারেল হাসপাতাল কে সিলগালা, একাধিক ক্লিনিককে অর্থদন্ড

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবার মান,বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম যাচাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে সিলগালা, গজারিয়া পপুলার হাসপাত ও ডায়গনিস্টিক ক্লিনিককে সাময়িক ভাবে বন্ধ ওক আরও দুটি ক্লিনিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (২৫জুলাই)সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক ক্লিনিককে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা সিভিল সার্জন ডা:সাজেদা বেগম এর তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:শারমিন আহমেদ তিথী,জেলা সিনি:স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আবাসিক ডা:নুসরাত ফারজানা খান,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ফারহানা খানম।

অভিযানে ৬টা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয় এর মধ্যে ভবেরচর ইউনিয়নের গজারিয়া পপুলার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সাময়িক ভাবে বন্ধ,ভবেরচর জেনারেল হাসপাতালে এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে তিন হাজার টাকা রিমানা, জামালদী বাসষ্টান্ডস্থ হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা,নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করা হয়।এছাড়াও জামালদী এলাকায় অবস্হিত শুকরিয়া ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এর সেবা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন অভিযানে অংশ গ্রহণকারী দল।

অভিযান শেষে জেলা সিভিল সার্জন ডা:সাজেদা বেগম বলেন,স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা, বৈধ লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার সামগ্রিক মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,জনস্বার্থে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির আওতায় আনা হবে।লাইসেন্স বিহীন কিংবা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ধনি গরীব সকলের জন্য একই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গজারিয়ায় নাজমা জেনারেল হাসপাতাল কে সিলগালা, একাধিক ক্লিনিককে অর্থদন্ড

প্রকাশিত : ০৪:০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবার মান,বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম যাচাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে সিলগালা, গজারিয়া পপুলার হাসপাত ও ডায়গনিস্টিক ক্লিনিককে সাময়িক ভাবে বন্ধ ওক আরও দুটি ক্লিনিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (২৫জুলাই)সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক ক্লিনিককে এ অভিযান পরিচালিত হয়।জেলা সিভিল সার্জন ডা:সাজেদা বেগম এর তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:শারমিন আহমেদ তিথী,জেলা সিনি:স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আবাসিক ডা:নুসরাত ফারজানা খান,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ফারহানা খানম।

অভিযানে ৬টা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয় এর মধ্যে ভবেরচর ইউনিয়নের গজারিয়া পপুলার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সাময়িক ভাবে বন্ধ,ভবেরচর জেনারেল হাসপাতালে এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে তিন হাজার টাকা রিমানা, জামালদী বাসষ্টান্ডস্থ হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা,নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করা হয়।এছাড়াও জামালদী এলাকায় অবস্হিত শুকরিয়া ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এর সেবা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন অভিযানে অংশ গ্রহণকারী দল।

অভিযান শেষে জেলা সিভিল সার্জন ডা:সাজেদা বেগম বলেন,স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা, বৈধ লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার সামগ্রিক মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,জনস্বার্থে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির আওতায় আনা হবে।লাইসেন্স বিহীন কিংবা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./