১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

অজু করে খেলতে নামেন এই ফুটবল তারকারা

লিভারপুলের তিন মুসলিম তারকা মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানে এবং এমরে চ্যান। এই তিন ফুটবল তারকা মুসলিম হিসেবে এখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়।

বিশেষ করে মিসরের মোহাম্মদ সালাহ এ বছর লিভারপুলের হয়ে ৪১টি গোল করেছেন। জিতেছেন পেশাদার ফুটবলার সমিতির দেয়া বছরের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারও। ভক্তরা মোহাম্মদ সালাহর এখন নতুন নাম দিয়েছেন ‘ইজিপশিয়ান কিং’।

লিভারপুলের এ তিন মুসলিম তারকাকে নিয়ে দলের জার্মান ম্যানেজার ইয়ুর্গেন ক্লপ সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে ইয়ুর্গেন ক্লপ জানিয়েছেন, এ তিন মুসলিম তারকা খেলতে নামার আগে অজু করে নেন। তারা ইসলাম ধর্মের প্রথা অনুযায়ী অজু করে পবিত্র অর্জনের মাধ্যমে খেলার জন্য প্রস্তুত হন।

তিনি জানান, যখন মুসলিম তারকারা খেলার জন্য অজু করেন তখন অন্য খেলোয়াড়রা তাদের সাহায্য করেন। কেউ তাদের ওপর বিরক্ত হন না। বরং খেলোয়াড়রা তাদের জন্য অপেক্ষা করেন।

এদিকে মোহাম্মদ সালাহর একের পর এক সফলতার জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

তার নামে ইতিমধ্যেই পবিত্র মক্কা নগরীতে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। মক্কায় তাকে জমিও দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে সালাহকে নিয়ে শুধু মুসলমানরাই উৎফুল্ল নয়, ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলেও সালাহ ব্যাপক জনপ্রিয়। সম্প্রতি ইসরাইলের এক মন্ত্রী সালাহকে দেশটির সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার প্রস্তাব করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অজু করে খেলতে নামেন এই ফুটবল তারকারা

প্রকাশিত : ০৮:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

লিভারপুলের তিন মুসলিম তারকা মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানে এবং এমরে চ্যান। এই তিন ফুটবল তারকা মুসলিম হিসেবে এখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়।

বিশেষ করে মিসরের মোহাম্মদ সালাহ এ বছর লিভারপুলের হয়ে ৪১টি গোল করেছেন। জিতেছেন পেশাদার ফুটবলার সমিতির দেয়া বছরের সেরা ফুটবলারের পুরস্কারও। ভক্তরা মোহাম্মদ সালাহর এখন নতুন নাম দিয়েছেন ‘ইজিপশিয়ান কিং’।

লিভারপুলের এ তিন মুসলিম তারকাকে নিয়ে দলের জার্মান ম্যানেজার ইয়ুর্গেন ক্লপ সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে ইয়ুর্গেন ক্লপ জানিয়েছেন, এ তিন মুসলিম তারকা খেলতে নামার আগে অজু করে নেন। তারা ইসলাম ধর্মের প্রথা অনুযায়ী অজু করে পবিত্র অর্জনের মাধ্যমে খেলার জন্য প্রস্তুত হন।

তিনি জানান, যখন মুসলিম তারকারা খেলার জন্য অজু করেন তখন অন্য খেলোয়াড়রা তাদের সাহায্য করেন। কেউ তাদের ওপর বিরক্ত হন না। বরং খেলোয়াড়রা তাদের জন্য অপেক্ষা করেন।

এদিকে মোহাম্মদ সালাহর একের পর এক সফলতার জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

তার নামে ইতিমধ্যেই পবিত্র মক্কা নগরীতে মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। মক্কায় তাকে জমিও দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে সালাহকে নিয়ে শুধু মুসলমানরাই উৎফুল্ল নয়, ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলেও সালাহ ব্যাপক জনপ্রিয়। সম্প্রতি ইসরাইলের এক মন্ত্রী সালাহকে দেশটির সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার প্রস্তাব করেছে।