০৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নাগরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

গত ৯ই নভেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৯.৩০ মিনিটের সময় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বেকড়া আট গ্রাম ইউনিয়নের মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. ছোরহাব (৬৫) জায়গা জমির বিরোধের জেরে এক বর্বর সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ঢামেক হাসপাতালে গত ১২ তারিখ দিবাগত রাত ১৩ তারিখ রবিবার ভোর ১২.১০ মিনিটের সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ সন্ত্রাসী ঘটনায় কমপক্ষে ৬-৭ জন লোক গুরুতর আহত হয়। এদের মধ্যে মৃত তফিজ উদ্দিনের ৩ ছেলে ও তাদের স্ত্রী, মো. সোহরাব (৬৫) তার স্ত্রী শাহনাজ (৪৮), চাঁন মিয়া (৪৮), জহিরুল (৪২), ফরিদ (৩০), ফরিদের স্ত্রী সহ ছোহরাব পরিবারের সবাইকে একই গ্রামের রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) ও তার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারপিট করে।
এসময় সন্ত্রাসী আলমগীরের সাথে এ হামলায় অংশ গ্রহণ করে তার ভাই রতন (৩৫), রহিম (৬৮), রবেদ আলী বরফে রব্বানী (৬০), ফরিদ (৩০) সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহতরা।
পরবর্তীতে নাগরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
সোহরাবের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। হাজারো গ্রামবাসী আজ সোমবার ১৩ই নভেম্বর সকালে এ হত্যার আসামিদের ফাঁসীর দাবিতে মিছিল করে বেকড়া ইউনিয়নে।
মিছিল শেষে গ্রামবাসী বেকড়া কবরস্থানে মৃতের জানায় অংশ গ্রহণ করে। এ সময় উপস্থিত জনতা এ নির্মম হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহবান করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১৪ বছর পর বাংলাদেশ থেকে সরাসরি পাকিস্তানে নামলো বিমান

নাগরপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৬:৩২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

গত ৯ই নভেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৯.৩০ মিনিটের সময় টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বেকড়া আট গ্রাম ইউনিয়নের মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. ছোরহাব (৬৫) জায়গা জমির বিরোধের জেরে এক বর্বর সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ঢামেক হাসপাতালে গত ১২ তারিখ দিবাগত রাত ১৩ তারিখ রবিবার ভোর ১২.১০ মিনিটের সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ সন্ত্রাসী ঘটনায় কমপক্ষে ৬-৭ জন লোক গুরুতর আহত হয়। এদের মধ্যে মৃত তফিজ উদ্দিনের ৩ ছেলে ও তাদের স্ত্রী, মো. সোহরাব (৬৫) তার স্ত্রী শাহনাজ (৪৮), চাঁন মিয়া (৪৮), জহিরুল (৪২), ফরিদ (৩০), ফরিদের স্ত্রী সহ ছোহরাব পরিবারের সবাইকে একই গ্রামের রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন (৪০) ও তার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারপিট করে।
এসময় সন্ত্রাসী আলমগীরের সাথে এ হামলায় অংশ গ্রহণ করে তার ভাই রতন (৩৫), রহিম (৬৮), রবেদ আলী বরফে রব্বানী (৬০), ফরিদ (৩০) সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহতরা।
পরবর্তীতে নাগরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
সোহরাবের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। হাজারো গ্রামবাসী আজ সোমবার ১৩ই নভেম্বর সকালে এ হত্যার আসামিদের ফাঁসীর দাবিতে মিছিল করে বেকড়া ইউনিয়নে।
মিছিল শেষে গ্রামবাসী বেকড়া কবরস্থানে মৃতের জানায় অংশ গ্রহণ করে। এ সময় উপস্থিত জনতা এ নির্মম হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে গ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে আহবান করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / bh