ঢাকা সকাল ১১:১০, শুক্রবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সার্বিয়া-ক্যামেরুন জমজমাট লড়াই, ৩-৩ সমতায়

প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় দুই দলের জন্যই এটি ছিল বাঁচা-মরার ম্যাচ। আর বেঁচে থাকার তাগিদেই যেন প্রতিটি মিনিটই চোখে চোখ রেখে খেলে গেল দুই দল। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে গোল হলো, শোধ হলো। গোল পাল্টা গোলে শেষপর্যন্ত অবশ্য জিতল না কেউই। সার্বিয়া-ক্যামেরুনের জমজমাট লড়াই থেমেছে ৩-৩ সমতায়।

এ ড্রয়ে শেষ ষোলোর সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখল দুই দলই। ১ পয়েন্ট নিয়ে ক্যামেরুন শেষ ম্যাচে লড়বে ব্রাজিলের বিপক্ষে, সার্বিয়ার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।

আল জানুব স্টেডিয়ামের ম্যাচটি যে এতটা রোমাঞ্চ ছড়াবে, সেটি অবশ্য প্রথম বিশ মিনিটে অনুমান করা যায়নি। বিশ্বকাপে টানা আট ম্যাচ হেরে যাওয়া ক্যামেরুনকে শুরু থেকে চাপে রাখে সার্বিয়া। ১০ মিনিটেই গোল পেয়ে যাচ্ছিল ইউরোপের দেশটি। সতীর্থের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে ডি বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন আলেকসান্দার মিত্রোভিচ।

প্রতিরোধহীন শটটি পোস্টের ভেতরের অংশ লেগেও বাইরে চলে আসে। ৭ মিনিট বাদে আরও একবার সুযোগ পান ২৮ বছর বয়সী মিত্রোভিচ। এবার বল পেয়ে যান ক্যামেরুন ডিফেন্ডারদের ভুলে। তবে অরক্ষিত থাকলেও তাড়াহুড়ায় পোস্টের বাইরে শট নেন তিনি।

সার্বিয়ার আক্রমণের বিপরীত ধারায় ২৮ মিনিটে গোল পেয়ে যায় ক্যামেরুন। নুহু তোলোর কর্নার ক্রসে খুব কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন জঁ-চার্লস কাস্তেলেত্তো। বিশ্বকাপে খেলা সর্বশেষ নয় ম্যাচে এটি ক্যামেরুনের চতুর্থ গোল।

তবে মিত্রোভিচ, দুসান তাদিচরা যেভাবে বারবার আক্রমণে উঠছিলেন, গোল পাওয়া সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছিল। প্রথমার্ধের শেষদিকে সেটিই হয়ে যায় দুই দফায়। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে তাদিচের কর্নার থেকে হেডে বল জালে জড়ান স্ত্রাহিনিয়া পাভলোভিচ। তিন মিনিট পর আরেকটি গোল এনে দেন মিলিনকোভিচ-সাভিচ। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সার্বিয়া।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

এ বিভাগের আরও সংবাদ