০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

পদত্যাগ করলেন ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি মেহমুদ হোসেন

ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি মো. মেহমুদ হোসেন পদত্যাগ করেছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি দুই বছর মেয়াদে ব্যাংকটিতে যোগদান করেন। সাড়ে ১০ মাস মেয়াদ থাকতেই বুধবার তিনি পদত্যাগ করেন। এর আগের এমডি শাহ সৈয়দ আব্দুল বারীও মেয়াদপূর্তির আগেই পদত্যাগ করেন। এ নিয়ে গত কয়েক বছরে অন্তত ৬ জন এমডি পদত্যাগ করলেন। ব্যাংকটির ডিএমডি সৈয়দ রইচ উদ্দিনকে ভারপ্রপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত এক দশক ধরে ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে সিকদার পরিবারের কর্তৃত্বে। ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জয়নুল হক সিকদার মারা যাওয়ার পর থেকে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনোয়ারা সিকদার। বিভিন্ন অনিয়ম ও একের পর এক এমডির বিদায়ের মধ্যে ২০১৪ সাল থেকে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকটিকে ‘দুর্বল’ হিসেবে চিহ্নিত করে একজন নির্বাহী পরিচালক পদমর্যদার কর্মকর্তাকে সমন্বয়ক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মেহমুদ হোসেনকে গত সোমবার বনানীর সিকদার হাউসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফিরে বুধবার তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর থেকে আর ব্যাংকে যাচ্ছেন না। এ বিষয়ে মেহমুদ হোসেনের বক্তব্যের জন্য চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। আর ব্যাংকটির অন্যতম পরিচালক রিক হক সিকদারের ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন করে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর অপরপ্রান্ত থেকে জানানো হয়, ফোন রেখে তিনি দেশের বাইরে গেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, পরিচালনা পর্ষদ বরাবর করা পদত্যাগপত্রের একটি কপি বাংলাদেশ ব্যাংকেও দিয়েছেন। তবে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে কিনা এখনও কিছু জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর পদত্যাগ যথাযথ হয়েছে কিনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক যাচাই করবে।

মেহমুদ হোসেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আগে এনআরবি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

পদত্যাগ করলেন ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি মেহমুদ হোসেন

প্রকাশিত : ০৬:২১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি মো. মেহমুদ হোসেন পদত্যাগ করেছেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি দুই বছর মেয়াদে ব্যাংকটিতে যোগদান করেন। সাড়ে ১০ মাস মেয়াদ থাকতেই বুধবার তিনি পদত্যাগ করেন। এর আগের এমডি শাহ সৈয়দ আব্দুল বারীও মেয়াদপূর্তির আগেই পদত্যাগ করেন। এ নিয়ে গত কয়েক বছরে অন্তত ৬ জন এমডি পদত্যাগ করলেন। ব্যাংকটির ডিএমডি সৈয়দ রইচ উদ্দিনকে ভারপ্রপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত এক দশক ধরে ন্যাশনাল ব্যাংক পরিচালিত হচ্ছে সিকদার পরিবারের কর্তৃত্বে। ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জয়নুল হক সিকদার মারা যাওয়ার পর থেকে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনোয়ারা সিকদার। বিভিন্ন অনিয়ম ও একের পর এক এমডির বিদায়ের মধ্যে ২০১৪ সাল থেকে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকটিকে ‘দুর্বল’ হিসেবে চিহ্নিত করে একজন নির্বাহী পরিচালক পদমর্যদার কর্মকর্তাকে সমন্বয়ক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মেহমুদ হোসেনকে গত সোমবার বনানীর সিকদার হাউসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফিরে বুধবার তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর থেকে আর ব্যাংকে যাচ্ছেন না। এ বিষয়ে মেহমুদ হোসেনের বক্তব্যের জন্য চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। আর ব্যাংকটির অন্যতম পরিচালক রিক হক সিকদারের ব্যক্তিগত মোবাইলে ফোন করে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর অপরপ্রান্ত থেকে জানানো হয়, ফোন রেখে তিনি দেশের বাইরে গেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, পরিচালনা পর্ষদ বরাবর করা পদত্যাগপত্রের একটি কপি বাংলাদেশ ব্যাংকেও দিয়েছেন। তবে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে কিনা এখনও কিছু জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর পদত্যাগ যথাযথ হয়েছে কিনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক যাচাই করবে।

মেহমুদ হোসেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আগে এনআরবি ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh