০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যু

শেরপুরে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে শারমিন নামে এক স্কুলছাত্রী গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শারমিন নালিতাবাড়ী উপজেলার পাঘারিয়া মির্জাবাজার গ্রামের হাফেজ সোহেল মিয়ার মেয়ে। সে এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়াও একই উপজেলার বাঘবেড় গ্রামে বজ্রপাতে এক ব্যক্তির দুটি গরু মারা গেছে।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে শেরপুর সদর উপজেলার হালগড়া গ্রামে আব্দুর রহিম নামে এক কৃষক মাঠে ধান কাটা অবস্থায় বজ্রপাতে মারা যান। তিনি উপজেলার হালগড়া গ্রামের আকু শেখের ছেলে। শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে নকলা উপজেলার মোজারচর গ্রামে শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবক মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান। শহিদুল ইসলাম নকলা উপজেলার মোজারচর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে। নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, জেলার শ্রীবরদী উপজেলার বকচর গ্রামে সকাল ১১টার দিকে কুব্বত আলী নামে এক কৃষক ধান কাটার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত মো. আনিসুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

শেরপুরে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৪:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

শেরপুরে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রীসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে শারমিন নামে এক স্কুলছাত্রী গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শারমিন নালিতাবাড়ী উপজেলার পাঘারিয়া মির্জাবাজার গ্রামের হাফেজ সোহেল মিয়ার মেয়ে। সে এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এছাড়াও একই উপজেলার বাঘবেড় গ্রামে বজ্রপাতে এক ব্যক্তির দুটি গরু মারা গেছে।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে শেরপুর সদর উপজেলার হালগড়া গ্রামে আব্দুর রহিম নামে এক কৃষক মাঠে ধান কাটা অবস্থায় বজ্রপাতে মারা যান। তিনি উপজেলার হালগড়া গ্রামের আকু শেখের ছেলে। শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সকাল পৌনে ১০টার দিকে নকলা উপজেলার মোজারচর গ্রামে শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবক মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মারা যান। শহিদুল ইসলাম নকলা উপজেলার মোজারচর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে। নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, জেলার শ্রীবরদী উপজেলার বকচর গ্রামে সকাল ১১টার দিকে কুব্বত আলী নামে এক কৃষক ধান কাটার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত মো. আনিসুর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।