প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও মিচেলের সেঞ্চুরি ম্লান করে পাকিস্তানকে জেতালেন ফখর। তার অনবদ্য ইনিংসে ১০ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জিতলো স্বাগতিকরা। আগের ম্যাচে মিচেলের ১১৩ রানের ইনিংসে ভর করে নিউ জিল্যান্ড ২৮৮ রান করেও পার পায়নি। ফখর ১১৭ রান করে ৫ উইকেটে জেতান। কিউই ব্যাটার শনিবার ১২৯ রানের ইনিংস খেলেন। সঙ্গে টম ল্যাথামের ৯৮ রান নিউ জিল্যান্ডকে এনে দেয় ৫ উইকেটে ৩৩৬ রানের সংগ্রহ।
পাকিস্তানি ওপেনার ফখর ১৮০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান। ১৪৪ বলে ১৭ চার ও ৬ ছয়ে সাবলীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। ইনিংসটি খেলার পথে যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম তিন হাজার রানের মালিক হয়েছেন ফখর। ৬৭ ইনিংস খেলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি, তার পাশে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের শাই হোপ।
৬৬ রানে ইমাম উল হকের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর বাবর আজমকে নিয়ে ১৩৫ রান তোলেন ফখর। এই জুটিতে পেয়ে যান ৮৩ বলে সেঞ্চুরি। বাবর ৬৫ রানে থামলেও ৩৩ বছর বয়সী বাঁহতি ব্যাটার ম্যাচ শেষ করে আসেন। সঙ্গে ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৪১ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ফখর ও রিজওয়ানের জুটি ছিল অপরাজিত ১১৯ রানের। ৪৮.২ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৩৭ রান করে পাকিস্তান।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ল্যাথামের সঙ্গে ১৮৩ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন মিচেল। নাসিম শাহ তাকে থামিয়ে শক্ত জুটি ভাঙেন। হারিস রউফ শুরু ও শেষের দিকে দারুণ বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডের রানের লাগাম টেনে ধরেন। ১০ ওভারে ৭৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। নিউ জিল্যান্ডের ইনিংসে আরেকটি হাফ সেঞ্চুরি ছিল চ্যাড বাওয়েসের (৫১)। তাদের তিন ব্যাটারের দারুণ ইনিংস বৃথা গেলো ফখরের দারুণ জবাবে।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান। আগামী ৩ মে করাচিতে হবে তৃতীয় ওয়ানডে।
বিজনেস বাংলাদেশ / হাবিব

























