০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

শিশু ধর্ষণ: মিটমাট ২০ হাজার টাকায়

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এক শিশুকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে উজ্জ্বল মিয়া নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পরবর্তীতে সালিশে ধর্ষিতা শিশুটির পরিবারকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনা ভুলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক উজ্জ্বল মিয়া পলাতক রয়েছে।

জানা গেছে, চুনারুঘাট পৌর এলাকার একটি আশ্রায়ণ কেন্দ্রে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী। গত ২ মে শিশুটিকে বাড়িতে একা রেখে বাবা-মা হাওরে ধান কাটার কাজে গেলে সুযোগ বুঝে উজ্জ্বল মিয়া শিশুটির বাড়িতে যান। এবং চেতনানাশক মিশ্রিত জুস খেতে দেন। এরপর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে উজ্জ্বল। পরদিন ফের একই কায়দায় শিশুটিকে ঘরে একা পেয়ে সে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মা-বাবার কাছে বিষয়টি খুলে বলে।

বিষয়টি স্থানীয়রা জেনে গেলে সালিশ বসে। সেখানে চুনারুঘাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজল মিয়া দরিদ্র পরিবারটি মামলা দিয়ে কোনো ফায়দা পাবে না বলে দোহাই দিয়ে সালিশে মিটমাট করার কথা বলেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। পাশাপাশি কাউন্সিলর উজ্জ্বল মিয়ার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে শিশুটির চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন।

চুনারুঘাট থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। এবং শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে ২০ হাজার টাকার দফারফার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা কেবল স্থানীয়দের মুখ থেকে শুনেছি। এর সত্যতা পাইনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

শিশু ধর্ষণ: মিটমাট ২০ হাজার টাকায়

প্রকাশিত : ০৩:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মে ২০১৮

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এক শিশুকে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে উজ্জ্বল মিয়া নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পরবর্তীতে সালিশে ধর্ষিতা শিশুটির পরিবারকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ঘটনা ভুলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক উজ্জ্বল মিয়া পলাতক রয়েছে।

জানা গেছে, চুনারুঘাট পৌর এলাকার একটি আশ্রায়ণ কেন্দ্রে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী। গত ২ মে শিশুটিকে বাড়িতে একা রেখে বাবা-মা হাওরে ধান কাটার কাজে গেলে সুযোগ বুঝে উজ্জ্বল মিয়া শিশুটির বাড়িতে যান। এবং চেতনানাশক মিশ্রিত জুস খেতে দেন। এরপর শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে উজ্জ্বল। পরদিন ফের একই কায়দায় শিশুটিকে ঘরে একা পেয়ে সে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মা-বাবার কাছে বিষয়টি খুলে বলে।

বিষয়টি স্থানীয়রা জেনে গেলে সালিশ বসে। সেখানে চুনারুঘাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজল মিয়া দরিদ্র পরিবারটি মামলা দিয়ে কোনো ফায়দা পাবে না বলে দোহাই দিয়ে সালিশে মিটমাট করার কথা বলেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। পাশাপাশি কাউন্সিলর উজ্জ্বল মিয়ার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে শিশুটির চিকিৎসা করার পরামর্শ দেন।

চুনারুঘাট থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। এবং শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। অভিযুক্ত উজ্জ্বল মিয়া পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে ২০ হাজার টাকার দফারফার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা কেবল স্থানীয়দের মুখ থেকে শুনেছি। এর সত্যতা পাইনি।