০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সংসদে মহিলা এমপির মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে সরাইল উপজেলার চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গত ১৯ শে জুন ২০২৩ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের-১২ সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদের মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর এবং আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরের তার নিজ কার্যালয়ে এ সম্মেলন করেন।

রফিক উদ্দিন ঠাকুর তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি সংরক্ষিত মহিলা আসন-১২ এর সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) তার স্বামী ইকবাল আজাদ, ভাসুর ও শশুরকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে মহান সংসদে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিয়েছেন৷ ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের মিথ্যা মামলায় আমাদের আজও হয়রানী করা হচ্ছে। তার স্বামীর প্রকৃত খুনিদের বাদ দিয়ে সরাইল উপজেলার তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি, সেক্রেটারী, সাংগঠনিক সম্পাদক যুবলীগের আহবায়ক, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডারসহ ২৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা করেন। যাতে স্পষ্ট দৃশ্যমান যে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব শুন্য করে একক আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টায় লিপ্ত হন।

সম্মেলনে আরও বলেন, ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের মিথ্যা মামলায় আমিসহ যাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে তাহাদের অনেকেই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম কুশিলব তাহের উদ্দিন ঠাকুরের ফাসির দাবীতে বিভিন্ন সময়ে মিটিং মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। অথচ সংসদে দাড়িয়ে আমাদেরকে তাহের উদ্দিন ঠাকুরের সাথে মেশানোর অপচেষ্টা করেছেন, যাহা অত্যান্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। তাহের উদ্দিন ঠাকুর তথ্য প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তার শশুর আবদুল খালেককে ১টি টয়োটা গাড়ি উপহার দেন। তার শশুর আবদুল খালেক ছিলেন তালিকা ভুক্ত একজন যুদ্ধাপরাধী, তার অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ট স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে ১৯৭৪ সালে আঃ খালেককে হত্যা করেন।

আমরা বলতে চাই ইকবাল আজাদ হত্যা মামলাটি পূনঃ তদন্ত ও হত্যাকান্ডে জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নির্দোষ ব্যাক্তিদের অব্যাহতি প্রদান করা হোক।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী, যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মাহফুজ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী, উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিব মিয়া। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি হাজী ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফের যুদ্ধ হলে ‘আরও চমক’ দেখবে বিশ্ব: ইরানের হুঁশিয়ারি

সংসদে মহিলা এমপির মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে সরাইল উপজেলার চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৬:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

গত ১৯ শে জুন ২০২৩ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের-১২ সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদের মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর এবং আওয়ামিলীগের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৪ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরের তার নিজ কার্যালয়ে এ সম্মেলন করেন।

রফিক উদ্দিন ঠাকুর তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, সম্প্রতি সংরক্ষিত মহিলা আসন-১২ এর সাংসদ উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ) তার স্বামী ইকবাল আজাদ, ভাসুর ও শশুরকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে মহান সংসদে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিয়েছেন৷ ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের মিথ্যা মামলায় আমাদের আজও হয়রানী করা হচ্ছে। তার স্বামীর প্রকৃত খুনিদের বাদ দিয়ে সরাইল উপজেলার তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি, সেক্রেটারী, সাংগঠনিক সম্পাদক যুবলীগের আহবায়ক, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডারসহ ২৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা করেন। যাতে স্পষ্ট দৃশ্যমান যে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব শুন্য করে একক আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টায় লিপ্ত হন।

সম্মেলনে আরও বলেন, ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের মিথ্যা মামলায় আমিসহ যাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে তাহাদের অনেকেই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম কুশিলব তাহের উদ্দিন ঠাকুরের ফাসির দাবীতে বিভিন্ন সময়ে মিটিং মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। অথচ সংসদে দাড়িয়ে আমাদেরকে তাহের উদ্দিন ঠাকুরের সাথে মেশানোর অপচেষ্টা করেছেন, যাহা অত্যান্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। তাহের উদ্দিন ঠাকুর তথ্য প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তার শশুর আবদুল খালেককে ১টি টয়োটা গাড়ি উপহার দেন। তার শশুর আবদুল খালেক ছিলেন তালিকা ভুক্ত একজন যুদ্ধাপরাধী, তার অত্যাচার নির্যাতনে অতিষ্ট স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে ১৯৭৪ সালে আঃ খালেককে হত্যা করেন।

আমরা বলতে চাই ইকবাল আজাদ হত্যা মামলাটি পূনঃ তদন্ত ও হত্যাকান্ডে জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নির্দোষ ব্যাক্তিদের অব্যাহতি প্রদান করা হোক।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী, যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মাহফুজ আলী, সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী, উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিব মিয়া। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি হাজী ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh