নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, আমার এলাকার ত্রিশ চল্লিশ লাখ লোক এখানে বসবাস করে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ময়লাসহ এমন কোন বিষাক্ত ময়লা নেই যা এই পানিতে নেই। এখানকার বাসিন্দারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপর বিশ্বাস রাখেন আমাদের ওপরও রাখেন। এটা যদি অপসারণ করা না হয় আমি তাহলে ওই ময়লা পানিতে নেমে অবস্থান ধর্মঘটে নেমে যাবো। আমি গলা পর্যন্ত ময়লা পানিতে নেমে দাঁড়িয়ে থাকবো। সেনাবাহিনীর ভাইরাও তখন আমাকে ময়লা পানি থেকে উঠাতে পারবে না।
রোববার (২জুলাই) সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আজ রাতের মধ্যে জমে থাকা পানি নামনো হবে। কালকে আর পানি থাকবে না। এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমার প্রত্যাশা আছে গতকাল রাতে পানিসম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে তিনি আমাকে কথা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন কয়েকটা দিন সময় দিতে তাকে। নাহলে আমি নিজে (শামীম ওসমান) যে যে এলাকায় পানি থাকবে সেখানে ময়লা পানিতে নেমে প্রতিবাদ জানাবো। যা হবার হবে।
ডিএনডি প্রজেক্টের জন্য ১২শ ৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মূলত করোনা ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এই টাকাটা আসতে দেরি হয়ে গেছে। তবে এই জুলাই মাসেই টাকাটা আসবে। যেহেতু সেনাবাহিনী কাজটি করবে আমার প্রত্যাশা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি তারা শেষ করতে পারবে। তাদের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে।
শামীম ওসমান বলেন, ঈদের সময় আমি অসুস্থ থাকায় সেখানে যেতে পারিনি। আমার ছেলেকে (অয়ন ওসমান) পাঠিয়েছি। সে তার টিম নিয়ে এলাকাগুলোতে গিয়েছে। ও এসে আমাকে ছবি দেখিয়ে বললো মানুষের যা অবস্থা সেখানে জীবন যাপন করা সম্ভব না। সেখানে মানুষকে কোরবানি করতে হচ্ছে। আমি কষ্টে ঈদের দিন সারাদিন বের হইনি। কারও সাথে কথাও বলিনি।
তিনি বলেন, আমার পানির কানেকশনটা তো ড্রেনের সাথে থাকতে হবে। সিদ্ধিরগঞ্জ পুরোটাই তো সিটি করপোরেশনের আওতায় পড়েছে। সিটি করপোরেশনের কাছে অনুরোধ যেন অতিশিঘ্রই সিদ্ধিরগঞ্জের ড্রেনের ব্যবস্থা ঠিক করে। পানিটা যেন ডিএনডি খালে সরাসরি যায়। এটা যতক্ষণ পর্যন্ত না হবে আমরা পানিতে নেমে বসে থাকবো।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শামীম ওসমান বলেন, ইতিপূর্বে ডিএনডি প্রোজেক্টের জন্যে ১২শ ৯৯ কোটি টাকা বাজেট আনা হয়েছে। সামনে আবারও কি ডিএনডি প্রোজেক্টের কাজের জন্য টাকা বাড়ানো হবে নাকি( প্রশ্ন সাংবাদিক)? জাবাবে শামীম ওসমান বলেছেন আর কোনো বাজেট বাড়ানো হবে না।























