নেত্রকোনা সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আমজাদ হোসেন নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশী পাইপগান এবং পাঁচটি কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার মেদনী ইউনিয়নের বড়য়ারী এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মডেল থানার ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা পৌর শহরের পশ্চিম নাগড়া এলাকা থেকে সোমবার গভীর রাতে মাদক ব্যবসায়ী খুন রাহাজানিসহ ১৫ মামলার আসাসি মৃত আলী হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় বাসায় তল্লাশি চালিয়ে ৩শ পিছ ইয়াবা ও ৫শ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করা হয়।
পরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আটক আমজাদকে নিয়ে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েল নেতৃত্বে মডেল থানার ওসি বোরহান উদ্দিনের টিম বড়াইল এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত পৌনে ৩টার দিকে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
ওসি বোরহান উদ্দিন, এস আই মকবুল হোসেন, এস আই মহসীন, এস আই আবদুল্লাহ, কনস্টেবল মালেকসহ ঘটনাস্থলে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আমজাদ গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার আমজাদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
মডেল থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানান, আমজাদের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা পাঁচটি মাদক মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।





















