০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ডলারের বিপরীতে টাকার দর ১৩.৩ শতাংশ কমেছে

গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকার দর কমেছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি ২২ শতাংশ দরপতন হয়েছে পাকিস্তানি রুপির। জাপানি ইয়েনের দরপতন হয়েছে ১৪ শতাংশ। ইউরোর দরপতন ৬ শতাংশ এবং ইউকের পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ১০ শতাংশ দরপতন হয়েছে। তবে, এ সময় রাশিয়ান রুবল ও সিঙ্গাপুরি ডলারের দর বেড়েছে যথাক্রমে ২ শতাংশ ও ১ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০২২-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির পর দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার অস্থির হয়ে ওঠে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সংকট আরও বৃদ্ধি পায়। যুদ্ধের কারণে ডলার সরবরাহ বিঘ্নিত হয় এবং বেশির ভাগ দেশের মুদ্রার দরপতন হয়। ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি ডলারের আন্তব্যাংক বিনিময় হার ছিল ৮৫ দশমিক ৮০ টাকা। যা ডিসেম্বরে গিয়ে দাঁড়ায় ১০৫ দশমিক ৪০ টাকায়। রিপোর্টে আরও বলা হয়, গত বছর মার্কিন ডলারের বিপরীতে চীনা ইউয়ান, ভারতীয় রুপি, জাপানি ইয়েন এবং ইন্দোনেশিয়ান রুপিসহ প্রধান আমদানি দেশগুলোর মুদ্রারও উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে ব্যাংকগুলোর কাছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে চাকরির মেলা, গবেষণা পুরষ্কার ও সাংস্কৃতিক উৎসবের বর্ণিল প্রস্তুতি সম্পন্ন

ডলারের বিপরীতে টাকার দর ১৩.৩ শতাংশ কমেছে

প্রকাশিত : ১২:২৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

গত এক বছরে ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশের টাকার দর কমেছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি ২২ শতাংশ দরপতন হয়েছে পাকিস্তানি রুপির। জাপানি ইয়েনের দরপতন হয়েছে ১৪ শতাংশ। ইউরোর দরপতন ৬ শতাংশ এবং ইউকের পাউন্ড স্টার্লিংয়ের ১০ শতাংশ দরপতন হয়েছে। তবে, এ সময় রাশিয়ান রুবল ও সিঙ্গাপুরি ডলারের দর বেড়েছে যথাক্রমে ২ শতাংশ ও ১ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০২২-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির পর দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার অস্থির হয়ে ওঠে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সংকট আরও বৃদ্ধি পায়। যুদ্ধের কারণে ডলার সরবরাহ বিঘ্নিত হয় এবং বেশির ভাগ দেশের মুদ্রার দরপতন হয়। ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি ডলারের আন্তব্যাংক বিনিময় হার ছিল ৮৫ দশমিক ৮০ টাকা। যা ডিসেম্বরে গিয়ে দাঁড়ায় ১০৫ দশমিক ৪০ টাকায়। রিপোর্টে আরও বলা হয়, গত বছর মার্কিন ডলারের বিপরীতে চীনা ইউয়ান, ভারতীয় রুপি, জাপানি ইয়েন এবং ইন্দোনেশিয়ান রুপিসহ প্রধান আমদানি দেশগুলোর মুদ্রারও উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে ব্যাংকগুলোর কাছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে