১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

আখাউড়া- আগরতলা রেলপথ উদ্বোধন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আখাউড়া – আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ উদ্বোধন করেন। বুধবার ( ১ নভেম্বর) ঢাকা ও দিল্লীর গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দুই দেশের সরকার প্রধান এ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর প্রথমে পণ্যবাহী ট্রেন ও পরবর্তীতে যাত্রীবাহী ট্রেন দুই দেশের মধ্যে চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এই রেলসংযোগ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে রেলপথে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর মধ্য দিয়ে আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের এক নতুন মাইলফলকে পৌঁছাল বাংলাদেশ ও ভারত। একই অনুষ্ঠানে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে ভারতের সহায়তায় আরও দুটি উন্নয়ন প্রকল্প খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিট ও উদ্বোধন করেন।
এর আগে গত সোমবার( ৩০ অক্টোবর)  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন থেকে খালি কনটেইনার নিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন ভারতের নিশ্চিন্তপুর স্টেশনে যাওয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত ট্রায়াল দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় পরীক্ষামূলকভাবে বাংলাদেশ অংশে ট্রেন চালানো হয়েছিল। এই রেলপথে ৭৯ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো যাবে। তবে বাঁক বেশি হওয়ায় পূর্ণ গতিতে ট্রেন চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে আখাউড়ার গঙ্গাসাগর থেকে আগরতলার নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ১২.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে ৬.৭৮ কিলোমিটার। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ৫৭ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং ভারতীয় ঋণ ৪২০ কোটি ৭৬ লাখ কোটি টাকা। করোনা মহামারিসহ অন্যান্য সংকটের কারণে দেড় বছরের প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে পাঁচ বছরেরও বেশি। রেললাইনের কাজ শেষ হলেও ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ভবন ও প্ল্যাটফর্মের চূড়ান্ত কাজ এখনো শেষ হয়নি।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আখাউড়া- আগরতলা রেলপথ উদ্বোধন

প্রকাশিত : ০৭:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আখাউড়া – আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ উদ্বোধন করেন। বুধবার ( ১ নভেম্বর) ঢাকা ও দিল্লীর গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দুই দেশের সরকার প্রধান এ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর প্রথমে পণ্যবাহী ট্রেন ও পরবর্তীতে যাত্রীবাহী ট্রেন দুই দেশের মধ্যে চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। এই রেলসংযোগ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে রেলপথে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর মধ্য দিয়ে আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের এক নতুন মাইলফলকে পৌঁছাল বাংলাদেশ ও ভারত। একই অনুষ্ঠানে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে ভারতের সহায়তায় আরও দুটি উন্নয়ন প্রকল্প খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিট ও উদ্বোধন করেন।
এর আগে গত সোমবার( ৩০ অক্টোবর)  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশন থেকে খালি কনটেইনার নিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন ভারতের নিশ্চিন্তপুর স্টেশনে যাওয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত ট্রায়াল দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় পরীক্ষামূলকভাবে বাংলাদেশ অংশে ট্রেন চালানো হয়েছিল। এই রেলপথে ৭৯ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো যাবে। তবে বাঁক বেশি হওয়ায় পূর্ণ গতিতে ট্রেন চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে আখাউড়ার গঙ্গাসাগর থেকে আগরতলার নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ১২.২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশে ৬.৭৮ কিলোমিটার। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ৪৭৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ৫৭ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং ভারতীয় ঋণ ৪২০ কোটি ৭৬ লাখ কোটি টাকা। করোনা মহামারিসহ অন্যান্য সংকটের কারণে দেড় বছরের প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে পাঁচ বছরেরও বেশি। রেললাইনের কাজ শেষ হলেও ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ভবন ও প্ল্যাটফর্মের চূড়ান্ত কাজ এখনো শেষ হয়নি।