০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ফেনীতে ১০০ দিনের মাথায় বন্ধ হলো মহিলা বাস

ফেনীতে উদ্বোধনের ১০০ দিনের মাথায় বন্ধ হয়ে গেছে ফেনী পৌরসভার মহিলা বাস সার্ভিস। ৩০ জুলাই উদ্বোধন করা হয়েছিল নারীদের জন্য তিনটি বিশেষ বাস। পৌরসভার উদ্যোগে সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী এ বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেছিলেন। বাসগুলোর রুট নির্ধারণ করা হয়েছিল শহরের হাসপাতাল মোড় হয়ে ফেনীর মহিপাল পর্যন্ত। এ রুটে মহিপাল থেকে সরকারি কলেজ পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ টাকা, হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত ১৫ টাকা ও স্বল্প দুরত্বে ৫ টাকা।
প্রথম কয়েকদিন আগ্রহ নিয়ে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ শিক্ষার্থীসহ নারী কর্মজীবীরা বাসে চড়েছিলেন। কিন্তু সংকুচিত আসন হওয়ায় দিনদিন আগ্রহ হারান যাত্রীরা। লোকসান গুণতে থাকে বাসগুলো। একপর্যায়ে চালক ও সহকারীর বেতনের খরচ বহন করতে হয় পৌরসভার তহবিল থেকে। আয় থেকে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় লোকসান হতে থাকে। ১৫ নভেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যায় পৌরসভার মহিলা বাস সার্ভিসের তিনটি গাড়ি।
একটি বাসের চালক নজরুল ইসলাম বলেন, যাত্রী সংকটের কারণে চালক ও সহকারীর বেতনসহ তেল খরচের টাকা না ওঠায় এ মাসের ১৫ তারিখ থেকে বাসগুলো কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিপোতে রাখা হয়েছে।
ফেনী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আবুজর গিফারী বলেন, এ অঞ্চলের নারীরা পুরুষ সহযোগী ছাড়া চলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না। তাই মহিলা বাসগুলোতে নারীরা যাত্রী হিসেবে একা না ওঠায় যাত্রী সংকটে পড়ে বাসগুলো বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মাহমুদুল হাসান জানান, সাড়ে তিন মাসের মধ্যে আড়াই মাসে চালক-সহকারী তেলসহ পৌর তহবিল থেকে লাখ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। কত টাকা লোকসান হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি।
ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী যাত্রী সংকটের কথা স্বীকার করলেও লোকসানের বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি জানান, হরতাল-অবরোধের পর আবার নতুন আঙ্গিকে বাসগুলো চালু করার কথা জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

ফেনীতে ১০০ দিনের মাথায় বন্ধ হলো মহিলা বাস

প্রকাশিত : ০৮:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

ফেনীতে উদ্বোধনের ১০০ দিনের মাথায় বন্ধ হয়ে গেছে ফেনী পৌরসভার মহিলা বাস সার্ভিস। ৩০ জুলাই উদ্বোধন করা হয়েছিল নারীদের জন্য তিনটি বিশেষ বাস। পৌরসভার উদ্যোগে সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী এ বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেছিলেন। বাসগুলোর রুট নির্ধারণ করা হয়েছিল শহরের হাসপাতাল মোড় হয়ে ফেনীর মহিপাল পর্যন্ত। এ রুটে মহিপাল থেকে সরকারি কলেজ পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ টাকা, হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত ১৫ টাকা ও স্বল্প দুরত্বে ৫ টাকা।
প্রথম কয়েকদিন আগ্রহ নিয়ে স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ শিক্ষার্থীসহ নারী কর্মজীবীরা বাসে চড়েছিলেন। কিন্তু সংকুচিত আসন হওয়ায় দিনদিন আগ্রহ হারান যাত্রীরা। লোকসান গুণতে থাকে বাসগুলো। একপর্যায়ে চালক ও সহকারীর বেতনের খরচ বহন করতে হয় পৌরসভার তহবিল থেকে। আয় থেকে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় লোকসান হতে থাকে। ১৫ নভেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে যায় পৌরসভার মহিলা বাস সার্ভিসের তিনটি গাড়ি।
একটি বাসের চালক নজরুল ইসলাম বলেন, যাত্রী সংকটের কারণে চালক ও সহকারীর বেতনসহ তেল খরচের টাকা না ওঠায় এ মাসের ১৫ তারিখ থেকে বাসগুলো কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিপোতে রাখা হয়েছে।
ফেনী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আবুজর গিফারী বলেন, এ অঞ্চলের নারীরা পুরুষ সহযোগী ছাড়া চলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না। তাই মহিলা বাসগুলোতে নারীরা যাত্রী হিসেবে একা না ওঠায় যাত্রী সংকটে পড়ে বাসগুলো বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মাহমুদুল হাসান জানান, সাড়ে তিন মাসের মধ্যে আড়াই মাসে চালক-সহকারী তেলসহ পৌর তহবিল থেকে লাখ লাখ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। কত টাকা লোকসান হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি।
ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী যাত্রী সংকটের কথা স্বীকার করলেও লোকসানের বিষয়ে কিছু বলেননি। তিনি জানান, হরতাল-অবরোধের পর আবার নতুন আঙ্গিকে বাসগুলো চালু করার কথা জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh