কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় খেমিরদিয়ার হারুনের ছাদ বাগানে বিভিন্ন ধরনের ফল, ফুল, সবজি গাছের সমরহ। সরেজমিন ছাদবাগান ঘুরে দেখা গেছে, কুষ্টিয়ার জেলার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ক্ষেমিরদিয়াড় দক্ষিণপাড়ায় হারুন অর রশিদের বাড়ির ছাদ বাগান দেখে সত্যই মনটা ভরে যায়। ভেড়ামারা শহরের ইট পাথরের মধ্যে এ যেন সবুজের বিপ্লব।
ছাদ বাগানের মালিক হারুন অর রশিদ সীমান্ত কথা পত্রিকায় সাক্ষাতকার দেওয়ার সময় তিনি বলেন, আমি মোকারিমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সহ পাশাপাশি ব্যবসা করি। তিনি বলেন, আমার অনেক দিনের ইচ্ছে একটা বাগান করার কিন্ত আমার বাড়ীর নিচে কোন জায়গা না থাকার কারণে বাগান করা হয়ে উঠেনি। আমার বাড়ীর ছাদ হওয়ার পর থেকে ছাদ বাগান করার আগ্রহটা বেড়ে গেলো। এবং আমি ও আমার স্ত্রী দুজনে বিভিন্ন নার্সারী থেকে দেশি-বিদেশি ফল, ফুল,ও সবজি গাছ নিয়ে এসে আমার ছাদ বাগানে লাগায়। বাগান গাছে যখন ফল ফুল ধিরে ধিরে আসতে শুরু করে আমার উৎসাহ আরো বেড়ে যায়। হারুনের ছাদ বাগানে বিভিন্ন ধরনের গাছ আছে। যেমন : বিদেশি আমড়া গাছ, কমলা গাছ, পেয়ারা গাছ, বারোমাসি বাদাম গাছ, কামরাঙ্গার গাছ, সজনের গাছ, বেগুন গাছ,শষা গাছ, লাও গাছ, করলার গাছ, আখ গাছ,সহ বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছে যেন টইটম্বুর। হারুনের ছাদবাগান দেখে মনে হয় এক টুকরা সবুজের উদ্যান।
তিনি আরো বলেন, আমি এবং আমার স্ত্রী বাগানের প্রতিটা গাছকে সন্তানের মতো ভালোবাসি। এবং আমার ছাদ বাগানে কোন রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয় না। সম্পন্ন জৈব সার ব্যবহার করি। আর গাছে কোন সময় রোগ বালাই হয়ে থাকলে সেটা স্থানীয় কৃষি অফিসার ও ইউটিউব দেখে গাছের পরিচর্যা করে থাকি।
তিনি আরো বলেন পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে এলাকার মানুষ আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের ফল সবজি দিয়ে থাকি। আমার ছাদ বাগানের ফল সবজি সম্পন্ন বিশ মুক্ত। ভবিষ্যতে আমার এই সাদবাগান আরো প্রসার করার ইচ্ছা আছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে





















