০৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

৭ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর চাটখিলে ৭ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন চাটখিল থানা পুলিশ,তবে তাৎক্ষণিক পুলিশ এ হত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত হুমামা আক্তার ফেহা (৭) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জষোড়া গ্রামের সালামত পাটোয়ারী বাড়ির মো.ফারুক হোসেনের মেয়ে,সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম জামাতের ছাত্রী ছিল।

রোববার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জষোড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন একটি পুকুর পাড় থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের বাবা মো.ফারুক হোসেন বলেন,ফেহাকে রোববার দুপুরের দিকে বাড়িতে না দেখে খোঁজাখুজি করি,ওই সময় আমাদের বাড়ির পাশে একটি মাহফিলের আয়োজন চলছিল,ফেহা সেখানে গিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা করে দেখলাম, পরবর্তীতে দুপুর ২টার পর থেকে সে নিখোঁজ,এরপর আমি বাড়িতে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করি,খোঁজাখুজির একপর্যায়ে এক ব্যক্তি জষোড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে ফেহার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ছুটে যান এবং ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, প্রাথমিক ভাবে এটাকে হত্যাকান্ড মনে হচ্ছে, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় এনে রাখা হয়েছে, সোমবার সকালের দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

ওসি এমদাদুল হক আরো বলেন, ভিকটিমের মাথার এক পাশে ফোলা জখমের চিহৃ রয়েছে। চোখের ডান পাশে এবং কান ও চোখের মাঝামাঝি জায়গায় গভীর কাটা জখম আছে, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

৭ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০১:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

নোয়াখালীর চাটখিলে ৭ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন চাটখিল থানা পুলিশ,তবে তাৎক্ষণিক পুলিশ এ হত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত হুমামা আক্তার ফেহা (৭) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জষোড়া গ্রামের সালামত পাটোয়ারী বাড়ির মো.ফারুক হোসেনের মেয়ে,সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম জামাতের ছাত্রী ছিল।

রোববার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জষোড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন একটি পুকুর পাড় থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের বাবা মো.ফারুক হোসেন বলেন,ফেহাকে রোববার দুপুরের দিকে বাড়িতে না দেখে খোঁজাখুজি করি,ওই সময় আমাদের বাড়ির পাশে একটি মাহফিলের আয়োজন চলছিল,ফেহা সেখানে গিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা করে দেখলাম, পরবর্তীতে দুপুর ২টার পর থেকে সে নিখোঁজ,এরপর আমি বাড়িতে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করি,খোঁজাখুজির একপর্যায়ে এক ব্যক্তি জষোড়া গ্রামের মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন পুকুর পাড়ে রাত সাড়ে আটটার দিকে ফেহার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ছুটে যান এবং ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, প্রাথমিক ভাবে এটাকে হত্যাকান্ড মনে হচ্ছে, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় এনে রাখা হয়েছে, সোমবার সকালের দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

ওসি এমদাদুল হক আরো বলেন, ভিকটিমের মাথার এক পাশে ফোলা জখমের চিহৃ রয়েছে। চোখের ডান পাশে এবং কান ও চোখের মাঝামাঝি জায়গায় গভীর কাটা জখম আছে, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে