০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দর ত্বকের জন্য টোনার

সকালে ঘুম থেকে উঠেও যেমন ত্বকের যত্ন নিতে হবে, একই কাজ করতে হবে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও। মর্নিং স্কিনকেয়ার রুটিনে সাধারণত তিন থেকে চারটি ধাপ মেনে চলা প্রয়োজন। এরই মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল টোনিং। ক্লিনজিং এবং ময়শ্চারাইজিংয়ের বিষয়ে সবাই জানলেও টোনারের কথা কিন্তু অনেকেই জানেন না। বিউটি ওয়ার্ল্ডে এই প্রোডাক্ট বেশ আন্ডাররেটেড হলেও এর কার্যকারিতা কিন্তু কম নয়।

বিশেষজ্ঞরা মতে, ত্বক ভালো রাখতে একটি ‘এএম’ (ঘুম থেকে উঠে ত্বকের যত্ন) এবং ‘পিএম’ (ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকের যত্ন) রুটিন ফলো করা প্রয়োজন।

আর এ রুটিন ফলো করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সঙ্গী করতে হবে টোনারকে। টোনার ব্যবহারকারীরা জানেন যে, ত্বক ভালো রাখতে ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই বিউটি প্রোডাক্টটি। উপকারী মিনারেলে পরিপূর্ণ এই তরল ত্বকে ঠিক ম্যাজিকের মতোই কাজ করে। এর গুণে ত্বক থাকে টানটান। পাশাপাশি একাধিক ত্বকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। সকালে এবং রাতে দুবার টোনার ব্যবহার করতে হবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও করে-
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে টোনার। সেই নিয়েই এবার আলোচনা করা যাক, প্রত্যেকের ত্বকেই পিএইচ-এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা রয়েছে। এই মাত্রার হেরফের হলেই ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হলে ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায় কিংবা হঠাৎ তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে। এমনকী পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে মুখে ব্রেকআউটও দেখা দেয়।

আজ থেকেই ব্যবহার করুন টোনার-
মুখের পিএইচ ভারসাম্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে টোনার। অধিকাংশ ফেসিয়াল টোনারেই পিএইচ-এর মাত্রা ৫ থেকে ৭-এর কাছাকাছি থাকে। এটি আপনার ত্বককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তার মানে বুঝতেই পারছেন যে, ত্বকে টোনার লাগানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

এতদিনেও যদি এই গুরুত্বপূর্ণ বিউটি প্রোডাক্টটি আপনি না ব্যবহার করে থাকেন, তবে আর দেরি করবেন না, আজ থেকেই শুরু করে দিন। জেনে নিন টোনার লাগানোর নিয়মটি ঠিক কী।

সঠিক নিয়ম মেনে মুখে লাগান টোনার-
আপনি আপনার ত্বকের ধরন বুঝে টোনার বেছে নিন। সকালে উঠে প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এক্ষেত্রে মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ ক্লিনজিং করুন। এরপরেই আপনাকে টোনার লাগাতে হবে। একটি কটন প্যাডে টোনার নিন। তারপর মুখে ধীরে ধীরে লাগিয়ে নিন। ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার সানস্ক্রিন লাগান। নিয়মিত টোনার লাগালে ত্বকের বদল আপনার চোখে পড়বেই।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে, সকালের মতো রাতে শুতে যাওয়ার আগেও আপনাকে মুখে টোনার লাগাতেই হবে। আপনি গোলাপ জলও টোনারের মতো ব্যবহার করতে পারেন। কটন প্যাড টোনারে ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে নিতে পারেন, পাশাপাশি মুখে স্প্রে-ও করতে পারেন। এতেই উপকার পাবেন। সপ্তাহে প্রতিদিন দিনে দুবার করে এই উপাদান আপনার মুখে লাগান। তাতেই ত্বকের আর্দ্রতার ঘাটতি পূরণ হবে। এমনকী পিএইচ-এর ভারসাম্য ঠিক থাকবে। ত্বক থাকবে টানটান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

সুন্দর ত্বকের জন্য টোনার

প্রকাশিত : ০২:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

সকালে ঘুম থেকে উঠেও যেমন ত্বকের যত্ন নিতে হবে, একই কাজ করতে হবে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগেও। মর্নিং স্কিনকেয়ার রুটিনে সাধারণত তিন থেকে চারটি ধাপ মেনে চলা প্রয়োজন। এরই মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল টোনিং। ক্লিনজিং এবং ময়শ্চারাইজিংয়ের বিষয়ে সবাই জানলেও টোনারের কথা কিন্তু অনেকেই জানেন না। বিউটি ওয়ার্ল্ডে এই প্রোডাক্ট বেশ আন্ডাররেটেড হলেও এর কার্যকারিতা কিন্তু কম নয়।

বিশেষজ্ঞরা মতে, ত্বক ভালো রাখতে একটি ‘এএম’ (ঘুম থেকে উঠে ত্বকের যত্ন) এবং ‘পিএম’ (ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকের যত্ন) রুটিন ফলো করা প্রয়োজন।

আর এ রুটিন ফলো করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সঙ্গী করতে হবে টোনারকে। টোনার ব্যবহারকারীরা জানেন যে, ত্বক ভালো রাখতে ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই বিউটি প্রোডাক্টটি। উপকারী মিনারেলে পরিপূর্ণ এই তরল ত্বকে ঠিক ম্যাজিকের মতোই কাজ করে। এর গুণে ত্বক থাকে টানটান। পাশাপাশি একাধিক ত্বকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। সকালে এবং রাতে দুবার টোনার ব্যবহার করতে হবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও করে-
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে টোনার। সেই নিয়েই এবার আলোচনা করা যাক, প্রত্যেকের ত্বকেই পিএইচ-এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা রয়েছে। এই মাত্রার হেরফের হলেই ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেয়। পিএইচ-এর ভারসাম্য নষ্ট হলে ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায় কিংবা হঠাৎ তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে। এমনকী পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে মুখে ব্রেকআউটও দেখা দেয়।

আজ থেকেই ব্যবহার করুন টোনার-
মুখের পিএইচ ভারসাম্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে টোনার। অধিকাংশ ফেসিয়াল টোনারেই পিএইচ-এর মাত্রা ৫ থেকে ৭-এর কাছাকাছি থাকে। এটি আপনার ত্বককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তার মানে বুঝতেই পারছেন যে, ত্বকে টোনার লাগানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

এতদিনেও যদি এই গুরুত্বপূর্ণ বিউটি প্রোডাক্টটি আপনি না ব্যবহার করে থাকেন, তবে আর দেরি করবেন না, আজ থেকেই শুরু করে দিন। জেনে নিন টোনার লাগানোর নিয়মটি ঠিক কী।

সঠিক নিয়ম মেনে মুখে লাগান টোনার-
আপনি আপনার ত্বকের ধরন বুঝে টোনার বেছে নিন। সকালে উঠে প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এক্ষেত্রে মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে মুখ ক্লিনজিং করুন। এরপরেই আপনাকে টোনার লাগাতে হবে। একটি কটন প্যাডে টোনার নিন। তারপর মুখে ধীরে ধীরে লাগিয়ে নিন। ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার সানস্ক্রিন লাগান। নিয়মিত টোনার লাগালে ত্বকের বদল আপনার চোখে পড়বেই।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে, সকালের মতো রাতে শুতে যাওয়ার আগেও আপনাকে মুখে টোনার লাগাতেই হবে। আপনি গোলাপ জলও টোনারের মতো ব্যবহার করতে পারেন। কটন প্যাড টোনারে ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে নিতে পারেন, পাশাপাশি মুখে স্প্রে-ও করতে পারেন। এতেই উপকার পাবেন। সপ্তাহে প্রতিদিন দিনে দুবার করে এই উপাদান আপনার মুখে লাগান। তাতেই ত্বকের আর্দ্রতার ঘাটতি পূরণ হবে। এমনকী পিএইচ-এর ভারসাম্য ঠিক থাকবে। ত্বক থাকবে টানটান।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর