০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যাত্রাবাড়ীতে বৃদ্ধা মৃতদেহ উদ্ধার

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মীরহাজিরবাগ এলাকা থেকে আমিরুন বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃদ্ধা আমিরুন র্দীঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি তার স্বজনদের।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় আমিরুনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আমিরুন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের মৃত মিনাজ বিশ্বাসের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। তিনি বড় ছেলে ফরিদ বিশ্বাসের সঙ্গে মীরহাজীরবাগ শহীদ ফারুক রোডের ১১/৩ নম্বর টিনসেড ভাড়াবাড়িতে থাকতেন।

মৃত আমিরুনের ছেলে ফরিদ জানান, তার মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। ফরিদ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে কাজের উদ্দেশে বেরিয়ে যান। তার মা গলায় ফাঁস দিয়েছেন এমন খবর শুনে ঢামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন।

ফরিদের স্ত্রী আয়শা আক্তার জানান, সকালে রান্নাঘরে বসে শাশুড়ির সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলেন তিনি। কিছুক্ষণ পরে আমিরুন তাকে রেখেই রুমের ভেতর চলে যান। পরে আয়শা ওই রুমে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, তার শাশুড়ি ফ্যানের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন। পরে দরজা ভেঙে মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

যাত্রাবাড়ীতে বৃদ্ধা মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুলাই ২০১৮

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মীরহাজিরবাগ এলাকা থেকে আমিরুন বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃদ্ধা আমিরুন র্দীঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি তার স্বজনদের।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় আমিরুনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আমিরুন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের মৃত মিনাজ বিশ্বাসের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। তিনি বড় ছেলে ফরিদ বিশ্বাসের সঙ্গে মীরহাজীরবাগ শহীদ ফারুক রোডের ১১/৩ নম্বর টিনসেড ভাড়াবাড়িতে থাকতেন।

মৃত আমিরুনের ছেলে ফরিদ জানান, তার মা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। ফরিদ সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে কাজের উদ্দেশে বেরিয়ে যান। তার মা গলায় ফাঁস দিয়েছেন এমন খবর শুনে ঢামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন।

ফরিদের স্ত্রী আয়শা আক্তার জানান, সকালে রান্নাঘরে বসে শাশুড়ির সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলেন তিনি। কিছুক্ষণ পরে আমিরুন তাকে রেখেই রুমের ভেতর চলে যান। পরে আয়শা ওই রুমে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, তার শাশুড়ি ফ্যানের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন। পরে দরজা ভেঙে মুমুর্ষূ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।