০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ

রংপুরের দমদমা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনা রোধে ও সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে গোলচত্বর বা ইউলুপ-ইউটার্ন করার দাবিতে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ধর্মদাস তামপাট এলাকায় এ অবরোধ কমসুচি পালন করেন।

এসময় মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানালেও তাতে সাড়া দেননি এলাকাবাসী। পরে সেনাবাহিনী এসে বিষয়টি ঊর্ধ্বতনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাৎক্ষণিক বসার সিদ্ধান্তে অবরোধ তুলে নেন তারা। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেনাবাহিনী এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন বলে জানা গেছে।

মহাসড়ক অবরোধ বিষয়ে স্থানীয় নরুল ইসলাম জানান, এই স্থানটিতে কোনো গোলচত্বর না থাকায় কিংবা কোনো ইউটার্ন না থাকায় রাস্তা পারাপার ও চলাচল খুবই বিপজ্জনক। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এখানে। এই মহাসড়কের কাজ শুরুর পর থেকেই দাবি তোলা হলেও কর্তৃপক্ষ সাড়া দেননি। এর আগেও আন্দোলন করা হয়েছে। সমাধানের কথা বললেও সমাধান করেনি তারা। এজন্য আজকে এলাকাবাসী এবং এখানকার সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেছেন।

এর আগে এলাকাবাসী মানববন্ধনের আয়োজন করে।মানববন্ধনে ধর্মদাস তামপাট এলাকাবাসী, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

ডিএস//

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত : ০৪:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

রংপুরের দমদমা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনা রোধে ও সড়কে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে গোলচত্বর বা ইউলুপ-ইউটার্ন করার দাবিতে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ধর্মদাস তামপাট এলাকায় এ অবরোধ কমসুচি পালন করেন।

এসময় মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানালেও তাতে সাড়া দেননি এলাকাবাসী। পরে সেনাবাহিনী এসে বিষয়টি ঊর্ধ্বতনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাৎক্ষণিক বসার সিদ্ধান্তে অবরোধ তুলে নেন তারা। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেনাবাহিনী এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন বলে জানা গেছে।

মহাসড়ক অবরোধ বিষয়ে স্থানীয় নরুল ইসলাম জানান, এই স্থানটিতে কোনো গোলচত্বর না থাকায় কিংবা কোনো ইউটার্ন না থাকায় রাস্তা পারাপার ও চলাচল খুবই বিপজ্জনক। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এখানে। এই মহাসড়কের কাজ শুরুর পর থেকেই দাবি তোলা হলেও কর্তৃপক্ষ সাড়া দেননি। এর আগেও আন্দোলন করা হয়েছে। সমাধানের কথা বললেও সমাধান করেনি তারা। এজন্য আজকে এলাকাবাসী এবং এখানকার সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অবরোধ করেছেন।

এর আগে এলাকাবাসী মানববন্ধনের আয়োজন করে।মানববন্ধনে ধর্মদাস তামপাট এলাকাবাসী, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

ডিএস//