কয়েকদিন ধরে শীত যেন জেঁকে বসেছে চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে, কুয়াশা আর শিশির ভেজা সকাল।চলছে অগ্রহায়ণ মাস, পৌষ মাস শুরুর আগেই জেঁকে বসেছে শীত। বিশেষ করে হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে জনপদ।
(১১ ডিসেম্বর )বুধবার চট্টগ্রাম জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অন্য দিনের তুলনায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে, সাথে ঘন কুয়াশা ও, টিপ টিপ করে ঝরতে থাকা কুয়াশায় ভিজে গেছে পিচঢালা পথগুলো। গাছের পাতা, সবুজ ধানের ক্ষেত আর ঘাসের ওপর থেকে ঝরছে শিশিরবিন্দু,প্রচন্ড শীত এবং কুয়াশার মধ্যেও মাঠে কাজ করছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ গুলো। মহাসড়কে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে গাড়ি, সূর্যের দেখা মিলেছে অনেক দেরিতে, উত্তরের জনপদে বেশ কয়েকদিন আগে থেকে শীতের তীব্রতা থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলে শীতের তীব্রতা তেমন অনুভব করা যায়নি।
গত কয়েকদিন ধরেই দিনের ভোর শুরু হচ্ছে শীতের আমেজে। চারপাশে কুয়াশার আস্তরণ। বাতাসে হিমেল অনুভূতি। রাতে এবং ভোরের দিকে কাঁথামুড়ি দিতে হচ্ছে। বাইরের আবহাওয়াও ছিল বেশ ঠান্ডা। সব মিলিয়ে সকালের প্রকৃতিতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে শীতের আমেজ।আর কয়েকদিনের মধ্যে পুরোদমে ঠান্ডার প্রভাব বাড়বে।
এদিকে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।
সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ঠান্ডা জনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী ভর্তি হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।






















