০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এক লাখ শিশু

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে এক লাখ শিশু নিয়োজিত শনাক্ত করা হয়েছে। শিশু শ্রম নিরসন কর্মসূচির আওয়তায় আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে তাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মুজিবুল হক আরো বলেন, অধিবেশনে জেলা পর্যায়ে কলকারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্সের বিষয়টি দেখভালের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম বন্ধে অঙ্গিকারাবদ্ধ। এ কাজে ব্যাপক জনসচেতনতা প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকগণ মাঠ পর্যায়ে প্রচারণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

তিনি জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ জেলায় কোন কোন ঝুঁকিপূর্ণ খাতে কত সংখ্যক শিশু নিয়োজিত রয়েছে, তার তালিকা পাঠানোর তাগিদ দেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন ২০১৩ সালের রানা প্লাজা’র দুর্ঘটনার পরবর্তী সময়ে সকল গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ৫৫০ শ্রম পরিদর্শক দিয়ে সারা দেশে ৮৩ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট পরিদর্শনের আওতায় আনা সম্ভব নয়। এ জন্য জেলা পর্যায়ের কলকারখানাগুলোর নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্স এর বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য মাঝে মাঝে জেলা প্রশাসকদের পরিদর্শনে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম ও প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ অংশ নেন।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত এক লাখ শিশু

প্রকাশিত : ০৩:৪৫:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুলাই ২০১৮

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে এক লাখ শিশু নিয়োজিত শনাক্ত করা হয়েছে। শিশু শ্রম নিরসন কর্মসূচির আওয়তায় আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে তাদেরকে পুনর্বাসন করা হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মুজিবুল হক আরো বলেন, অধিবেশনে জেলা পর্যায়ে কলকারখানার শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্সের বিষয়টি দেখভালের জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম বন্ধে অঙ্গিকারাবদ্ধ। এ কাজে ব্যাপক জনসচেতনতা প্রয়োজন। জেলা প্রশাসকগণ মাঠ পর্যায়ে প্রচারণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

তিনি জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ জেলায় কোন কোন ঝুঁকিপূর্ণ খাতে কত সংখ্যক শিশু নিয়োজিত রয়েছে, তার তালিকা পাঠানোর তাগিদ দেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন ২০১৩ সালের রানা প্লাজা’র দুর্ঘটনার পরবর্তী সময়ে সকল গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ৫৫০ শ্রম পরিদর্শক দিয়ে সারা দেশে ৮৩ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট পরিদর্শনের আওতায় আনা সম্ভব নয়। এ জন্য জেলা পর্যায়ের কলকারখানাগুলোর নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্স এর বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য মাঝে মাঝে জেলা প্রশাসকদের পরিদর্শনে যাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম ও প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ অংশ নেন।