চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের কয়েকটি অংশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জলাবদ্ধতাই পড়ে আছে অনাবাদি জমি ।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ঢেমশা, কেওঁচিয়া,নলুয়া কালিয়াইশ,বাজালিয়া,সহ কয়েকটি ইউনিয়নে অন্তত ২৫০ একর জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে । এর মধ্যে ঢেমশা এবং নলুয়া ইউনিয়নে জমির পরিমাণ বেশি ,
এসব জমিতে এক দশক আগেও বোরো, আমন চাষাবাদসহ বিভিন্ন রকমের শাকসবজির চাষ হতো। মাঠজুড়ে ছিল বিভিন্ন ফসলের সমারোহ। বিপুল এ জমিতে চাষ না হওয়ার মূল কারণ জলাবদ্ধতা ।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া উপজেলায় আবাদি জমি মোট ১৩১৭০ হেক্টর এবং অনাবাদি পড়ে আছে অন্তত ২৫০ হেক্টর ।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চাষাবাদের জমির মাটি কাটার ফলে এখন এইসব জমি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে , দিন দিন বাড়ছে মানুষ কমছে জমি, বিভিন্ন স্থানে ভরাট করে হচ্ছে স্থাপনা, এসব অনাবাদি জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় আসলে খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অনেক কৃষকের কর্মসংস্থান হবে এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
কৃষক এবং সাধারণ মানুষের দাবি যে সরকার ক্ষমতায় আসুক না কেন এসব ফসলি জমির মাটিকাটা বন্ধ করতে সরকারের বিশেষ ভূমিকা প্রয়োজন, মাটি কাটার ফলে চাষাবাদের জমি গুলো এখন জলাশয়ে পরিণত হয়েছে ,প্রশাসনের সঠিক তদারকির মাধ্যমে ভবিষ্যতে মাটি কাটা বন্ধ করে ফসলি জমি রক্ষা করা সম্ভব।
উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, সাতকানিয়া উপজেলার অন্তত ২৫০ একর জমি ১ যুগ ধরে অনাবাদি রয়েছে,এর মধ্যে নলুয়া ও ঢেমশা জমির পরিমাণ বেশি, ইটভাটার জন্য মাটি খনন করায় জলাবদ্ধতার কারণে জমি গুলো অনাবাদি অবস্থায় আছে।তিনি আরো বলেন,যে সব অনাবাদি জমিগুলো রয়েছে সেইসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনা সম্ভব,এগুলোতে ভাসমান চাষাবাদ প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষ করা যেতে পারে। তবে এটা করতে জমির মালিক এবং ইটভাটার আশেপাশের যে জমিগুলো রয়েছে তাদের উদ্যোগ নিতে হবে।
ডিএস./





















