০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজও বাস নেই, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবহন মালিকদের ডাকা অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রবিবার রাস্তায় বেরিয়ে বিপাকে পড়েছে রাজধানীর মানুষ।

রাজধানীর গাবতলী, মিরপুর, টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আড়ং মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে কর্মস্থলগামী মানুষজনকে রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

সড়কে কেবল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিআরটিসির বাস চলাচল করছে। এছাড়া প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, রিকশা, অ্যাম্বুলেন্স রাস্তায় দেখা গেছে। বেশিরভাগ মানুষ হেঁটে বা রিকশায় করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন। অল্প কিছু অটোরিকশা থাকলেও তা ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে না।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তৃতীয় দিনেও রাজধানীতে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। রাজধানী থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার যানবাহন, রাজধানীতে প্রবেশও করেনি।

সকাল থেকে রাজধানীর প্রধান চারটি বাস টার্মিনাল গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া থেকে কোনো বাস ছাড়েনি।

দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।ভোগান্তি হলেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন রয়েছে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের। তবে দ্রুত সমাধান চান সবাই।

গত ২৯ জুলাই কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

আজও বাস নেই, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত : ১২:১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৮

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাশাপাশি পরিবহন মালিকদের ডাকা অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রবিবার রাস্তায় বেরিয়ে বিপাকে পড়েছে রাজধানীর মানুষ।

রাজধানীর গাবতলী, মিরপুর, টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আড়ং মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে কর্মস্থলগামী মানুষজনকে রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

সড়কে কেবল রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিআরটিসির বাস চলাচল করছে। এছাড়া প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা, রিকশা, অ্যাম্বুলেন্স রাস্তায় দেখা গেছে। বেশিরভাগ মানুষ হেঁটে বা রিকশায় করে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন। অল্প কিছু অটোরিকশা থাকলেও তা ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে না।

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তৃতীয় দিনেও রাজধানীতে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। রাজধানী থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার যানবাহন, রাজধানীতে প্রবেশও করেনি।

সকাল থেকে রাজধানীর প্রধান চারটি বাস টার্মিনাল গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া থেকে কোনো বাস ছাড়েনি।

দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।ভোগান্তি হলেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন রয়েছে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের। তবে দ্রুত সমাধান চান সবাই।

গত ২৯ জুলাই কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।