ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিক শোক ও দাফনপ্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দিন আজ । ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার ও জানাজার আনুষ্ঠানিকতার প্রধান হাসান হাসানজাদেহ বলেছেন, ‘আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (গ্রিনিচ মান সময় সাড়ে ৪টা) শহীদ নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
’আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা উপলক্ষে আজ পুরো ইরানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
জানাজা উপলক্ষে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত ভিড়ে মানুষের পদপিষ্ট হওয়ার ঝুঁকির ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছে।
শহীদ এ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ইতিমধ্যে রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছে। সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ গ্র্যান্ড মোসাল্লা থেকে স্থানান্তর করা হবে। আগামীকাল সোমবার রাজধানীজুড়ে শোকমিছিল হবে।
জানাজায় কোনো ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নাকি পরিবারের কেউ ইমামতি করবেন, তা এখনো সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়নি।
আগামীকাল শোকমিছিল শেষে মঙ্গলবার খামেনির কফিন নিয়ে যাওয়া হবে নগরী কোমে। বুধবার কফিন নেওয়া হবে প্রতিবেশী দেশ ইরাকে। বৃহস্পতিবার খামেনির জন্মস্থান ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে তাঁকে দাফন করা হবে।
খামেনি শহীদ হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে একই হামলায় তিনি আহত হয়েছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
উলেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধের প্রথম দিন মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ৮৬ বছর বয়সী খামেনি শহীদ হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরান শাসন করে আসছিলেন।
সুত্র: এএফপি
ডিএস./























