টানা সাত দিনের ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। তবে আজ সোমবার থেকে পানি নামতে শুরু করলেও এখন দেখা দিয়েছে নতুন দুর্ভোগ।
বন্যায় তলিয়ে গেছে বিভিন্ন রাস্তাঘাট,পানি নামার সাথে সাথেই দেখা দিয়েছে রাস্তার ক্ষত চিহ্ন, এদিকে শীঘ্রই ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার কাজ শুরু করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
টানা সাত দিনের ভারি বর্ষণে ডলু নদী, সাঙ্গু নদী ও হাঙ্গর খালের পানি উপচে সাতকানিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়। হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সকাল থেকে কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন। বিভিন্ন সড়কে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে, কোথাও কোথাও যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও ঝুঁকিপূর্ণ।
বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ সড়ক, কালভার্ট ও কৃষিজমি। অনেক পরিবার এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। ঘরবাড়িতে জমে থাকা কাদা ও নোংরা পানি পরিষ্কার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। নিরাপদ খাবার পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার চাহিদাও রয়ে গেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অবকাঠামোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
বন্যার পানি কমলেও দুর্ভোগ এখনো কাটেনি সাতকানিয়ার মানুষের। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে প্রয়োজন দ্রুত সড়ক সংস্কার, বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা সহ ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ডিএস./



















