০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ইদলিবে আসাদ বিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষ

সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সবশেষ বড় কোনও অঞ্চল ইদলিবে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবার জুমআর নামাজের পর ইদলিবের মারাত আল-নুম্যান শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অন্তত ২৫ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধেও শ্লোগান দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এই অঞ্চলে মিত্র রাশিয়া ও ইরানের সহযোগিতায় আসাদ বাহিনী বড় ধরনের অভিযানের পরিকল্পনা করছে। এতে এই অঞ্চলে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। হামলা নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে তুরস্কের প্রস্তাব রাশিয়া-ইরানের প্রত্যাখ্যানের পর উৎকণ্ঠা বেড়েছে। এই অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে তুরস্ক এবং বাশার সরকারকে ইরান ও রাশিয়া সমর্থন দিয়ে আসছে।

এই অবস্থার মধ্যেই এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। বিক্ষোভে অংশ নেয়া ৩৬ বছর বয়সী মাহমুদ হারকাউই বলেছেন, পুরো বিশ্বকে একটা বার্তা দিতে চাই যে এখানে আমরা নিপীড়িত। আমরা এই অবস্থার অবসান চাই।

ওই শহরের কাউন্সিল ও কিছু স্থানীয় কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে বলেও জানান মাহমুদ। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আসাদের শাসনের অবসান। একইসঙ্গে আমাদের শহরে রুশ আগ্রাসনেরও আমরা বিরোধী।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরেকজন আহমদ আল ইউসুফ জানান, বিক্ষোভকারীরা ফ্রি সিরিয়ান আর্মির সমর্থনে শ্লোগান দিয়েছে। ২৪ বছর বয়সী এই যুবক বলেন, এই বিক্ষোভের উদ্দেশ্য হলো যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে একথা প্রমাণ করা যে আসাদ ও রুশ বিরোধী এই অবস্থান সাধারণ জনগণের। এখানে যা হচ্ছে তা কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

ইদলিবে আসাদ বিরোধী বিক্ষোভে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১২:৪৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সবশেষ বড় কোনও অঞ্চল ইদলিবে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। শুক্রবার জুমআর নামাজের পর ইদলিবের মারাত আল-নুম্যান শহরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অন্তত ২৫ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধেও শ্লোগান দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এই অঞ্চলে মিত্র রাশিয়া ও ইরানের সহযোগিতায় আসাদ বাহিনী বড় ধরনের অভিযানের পরিকল্পনা করছে। এতে এই অঞ্চলে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ। হামলা নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে তুরস্কের প্রস্তাব রাশিয়া-ইরানের প্রত্যাখ্যানের পর উৎকণ্ঠা বেড়েছে। এই অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে তুরস্ক এবং বাশার সরকারকে ইরান ও রাশিয়া সমর্থন দিয়ে আসছে।

এই অবস্থার মধ্যেই এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। বিক্ষোভে অংশ নেয়া ৩৬ বছর বয়সী মাহমুদ হারকাউই বলেছেন, পুরো বিশ্বকে একটা বার্তা দিতে চাই যে এখানে আমরা নিপীড়িত। আমরা এই অবস্থার অবসান চাই।

ওই শহরের কাউন্সিল ও কিছু স্থানীয় কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে বলেও জানান মাহমুদ। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আসাদের শাসনের অবসান। একইসঙ্গে আমাদের শহরে রুশ আগ্রাসনেরও আমরা বিরোধী।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরেকজন আহমদ আল ইউসুফ জানান, বিক্ষোভকারীরা ফ্রি সিরিয়ান আর্মির সমর্থনে শ্লোগান দিয়েছে। ২৪ বছর বয়সী এই যুবক বলেন, এই বিক্ষোভের উদ্দেশ্য হলো যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে একথা প্রমাণ করা যে আসাদ ও রুশ বিরোধী এই অবস্থান সাধারণ জনগণের। এখানে যা হচ্ছে তা কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়।