০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ইউরোপ আত্মসমর্পণ করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, মার্কিন চাপের কাছে ইউরোপের দেশগুলো আত্মসমর্পণ করবে কিনা সে বিষয়ে তাদের দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ যদি নিষ্ক্রয় থাকে তাহলে তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়াবে।

২০১৫ সালে পরমাণু সমঝোতা সইয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা

জার্মানভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘দার স্পাইগেল’কে দেয়া সাক্ষাৎকার জাওয়াদ জারিফ এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপের অবশ্যই উচিত- ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেয়া।

তিনি বলেন, লেনদেনের ভারসাম্য বিনষ্ট হলে তেহরানকেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়ে কাজ করতে হবে। তবে একথার অর্থ এই নয় যে, ইরান এই সমঝোতা থেকে নিজেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবে। তার পরিবর্তে সমঝোতা থেকে আংশিক প্রত্যাহার কিংবা ‘কম মাত্রার বাস্তবায়ন’ হতে পারে অন্য বিকল্প।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফকির বাজার স্কুল এন্ড কলেজের সাধারন সভা অনুষ্ঠিত

ইউরোপ আত্মসমর্পণ করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, মার্কিন চাপের কাছে ইউরোপের দেশগুলো আত্মসমর্পণ করবে কিনা সে বিষয়ে তাদের দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানাতে হবে।

তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ যদি নিষ্ক্রয় থাকে তাহলে তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়াবে।

২০১৫ সালে পরমাণু সমঝোতা সইয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা

জার্মানভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘দার স্পাইগেল’কে দেয়া সাক্ষাৎকার জাওয়াদ জারিফ এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকা বেরিয়ে যাওয়ার পর ইউরোপের অবশ্যই উচিত- ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেয়া।

তিনি বলেন, লেনদেনের ভারসাম্য বিনষ্ট হলে তেহরানকেও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়ে কাজ করতে হবে। তবে একথার অর্থ এই নয় যে, ইরান এই সমঝোতা থেকে নিজেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবে। তার পরিবর্তে সমঝোতা থেকে আংশিক প্রত্যাহার কিংবা ‘কম মাত্রার বাস্তবায়ন’ হতে পারে অন্য বিকল্প।