১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বিশাল অভ্যর্থনা উত্তরের

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তিনদিনের ঐতিহাসিক সফরে দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন।

পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ সকালে (মঙ্গলবার) মুনকে স্বাগত জানান কিম জং উন।

তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরীয় যুদ্ধে সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে অচল হয়ে পড়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা আবার শুরুর প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হবে।

১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত কোরীয় যুদ্ধ হয় এবং সে সময় যুদ্ধবিরতি হয় কিন্তু আজ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করেনি কোনো পক্ষ।

বিমান থেকে নামার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কিম ও তার স্ত্রী। বিমানবন্দরে মুনকে স্বাগত ও অভ্যর্থনা জানতে বিপুলসংখ্যক সামিরক ও বেসামরিক ব্যক্তিত্ব বিমানবন্দরে উপস্থিতি ছিলেন।

এ সফরে মূল তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে; এগুলো হলো- দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন, উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার মধ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক আলোচনা এবং দুই কোরিয়ার মধ্যে সামরিক উত্তেজনার অবসান ঘটানো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বিশাল অভ্যর্থনা উত্তরের

প্রকাশিত : ০৭:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তিনদিনের ঐতিহাসিক সফরে দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন।

পিয়ংইয়ং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ সকালে (মঙ্গলবার) মুনকে স্বাগত জানান কিম জং উন।

তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরীয় যুদ্ধে সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে অচল হয়ে পড়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা আবার শুরুর প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হবে।

১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত কোরীয় যুদ্ধ হয় এবং সে সময় যুদ্ধবিরতি হয় কিন্তু আজ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করেনি কোনো পক্ষ।

বিমান থেকে নামার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ও তার স্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান কিম ও তার স্ত্রী। বিমানবন্দরে মুনকে স্বাগত ও অভ্যর্থনা জানতে বিপুলসংখ্যক সামিরক ও বেসামরিক ব্যক্তিত্ব বিমানবন্দরে উপস্থিতি ছিলেন।

এ সফরে মূল তিনটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে; এগুলো হলো- দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন, উত্তর কোরিয়া ও আমেরিকার মধ্যে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক আলোচনা এবং দুই কোরিয়ার মধ্যে সামরিক উত্তেজনার অবসান ঘটানো।