১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

লন্ডনে মসজিদে মুসল্লিদের ওপর গাড়ি হামলা

লন্ডনের একটি ইসলামিক সেন্টারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মুসল্লিদের ওপর গাড়ি হামলায় তিন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। লন্ডনের প্রতিটি মসজিদ ইসিলামিক সেন্টার কালচারাল সেন্টার নামে পরিচালিত হয়ে থাকে।

নর্থ লন্ডনের ক্রিকলউডে অক্সগেইট লেইনে প্রতিষ্ঠিত আল মজলিস আল হাসানি ইসলামিক সেন্টারের বাইরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পায়ে মারাত্মক আঘাত পান। তাকে সাথে সাথে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আরো ২০ বছর বয়সী দুই যুবক আহত হয়েছেন। পুলিশ এই ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ না করে বলছে এটি একটি হেইট ক্রাইম।

তবে বিবিসি জানিয়েছে প্রত্যক্ষ দর্শীরা বলেছেন হামলার আগে তিন সদস্যের একটি গ্রুপ উচ্চ স্বরে ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলতে থাকে। গাড়ি হামলার আগে ২০ বছর বয়সী তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা মুসল্লিদের প্রাইভেট গাড়ি পার্ক ত্যাগ করতে বলে। এসময় তারা অসামাজিক কার্যকলাপ এবং ড্রাগ সেবনও করতে থাকে।

হামলাকারীদের গাড়ী যখন মসজিদের কাছে আসে, তখন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি মসজিদের বাইরে বের হয়ে আসছিলেন। হামলার পর উত্তেজিত মানুষ গাড়ী ভাংচুর করে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা আলী সালমান( ৩৩) জানিয়েছেন, তিনি অন্যএকজনের সাথে রাস্তার উল্টাদিকে পার্ক করা গাড়িতে উঠার সময় হামলা হয়।এবং তাদের আক্রমণকে সন্ত্রাসী হামলা বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।

সালমান বলেন, আক্রমণকারী গাড়ি থেকে মিলিসেকেন্ডে দূরুত্বে ছিলেন তিনি। আমি হেঁটে আমার গাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম, ঠিক পিছনে খুব জোরে গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ এবং হর্ণ শুনতে পাই। পার্ক করা গাড়ির নিরাপত্তা বেস্টনীর কারণে অনেক মানুষের জীবন বেঁচে গেছে। খুব দ্রুতগতিতে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে ছুটে আসে গাড়িটি আমি লাফ দিয়ে পার্ক করা দুই গাড়ির ফাঁকে চলে যাই। রাস্তার পার্ক করা গাড়িগুলো ৫০ থেকে ১০০ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।

মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেনের এক মুখপাত্র এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। আহতদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন। বলেছেন, ইসলামোফবিয়া থেকেই এই আক্রমণ, কারো কাছে কোন তথ্য থাকলে পুলিশকে সহায়তার অনুরোধে জানিয়েছেন।

পুলিশ যদিও ঘটনাটি কি সসন্ত্রাসী হামলা হিসাবে বিবেচনা করছে না। হেইট ক্রাইম বা বিদ্বেষ মূলক ধরেই তদন্ত করছে তাঁরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

লন্ডনে মসজিদে মুসল্লিদের ওপর গাড়ি হামলা

প্রকাশিত : ০৯:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

লন্ডনের একটি ইসলামিক সেন্টারের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মুসল্লিদের ওপর গাড়ি হামলায় তিন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। লন্ডনের প্রতিটি মসজিদ ইসিলামিক সেন্টার কালচারাল সেন্টার নামে পরিচালিত হয়ে থাকে।

নর্থ লন্ডনের ক্রিকলউডে অক্সগেইট লেইনে প্রতিষ্ঠিত আল মজলিস আল হাসানি ইসলামিক সেন্টারের বাইরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পায়ে মারাত্মক আঘাত পান। তাকে সাথে সাথে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এই ঘটনায় আরো ২০ বছর বয়সী দুই যুবক আহত হয়েছেন। পুলিশ এই ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ না করে বলছে এটি একটি হেইট ক্রাইম।

তবে বিবিসি জানিয়েছে প্রত্যক্ষ দর্শীরা বলেছেন হামলার আগে তিন সদস্যের একটি গ্রুপ উচ্চ স্বরে ইসলাম বিদ্বেষী কথা বলতে থাকে। গাড়ি হামলার আগে ২০ বছর বয়সী তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা মুসল্লিদের প্রাইভেট গাড়ি পার্ক ত্যাগ করতে বলে। এসময় তারা অসামাজিক কার্যকলাপ এবং ড্রাগ সেবনও করতে থাকে।

হামলাকারীদের গাড়ী যখন মসজিদের কাছে আসে, তখন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি মসজিদের বাইরে বের হয়ে আসছিলেন। হামলার পর উত্তেজিত মানুষ গাড়ী ভাংচুর করে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা আলী সালমান( ৩৩) জানিয়েছেন, তিনি অন্যএকজনের সাথে রাস্তার উল্টাদিকে পার্ক করা গাড়িতে উঠার সময় হামলা হয়।এবং তাদের আক্রমণকে সন্ত্রাসী হামলা বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।

সালমান বলেন, আক্রমণকারী গাড়ি থেকে মিলিসেকেন্ডে দূরুত্বে ছিলেন তিনি। আমি হেঁটে আমার গাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম, ঠিক পিছনে খুব জোরে গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ এবং হর্ণ শুনতে পাই। পার্ক করা গাড়ির নিরাপত্তা বেস্টনীর কারণে অনেক মানুষের জীবন বেঁচে গেছে। খুব দ্রুতগতিতে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে ছুটে আসে গাড়িটি আমি লাফ দিয়ে পার্ক করা দুই গাড়ির ফাঁকে চলে যাই। রাস্তার পার্ক করা গাড়িগুলো ৫০ থেকে ১০০ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।

মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেনের এক মুখপাত্র এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। আহতদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন। বলেছেন, ইসলামোফবিয়া থেকেই এই আক্রমণ, কারো কাছে কোন তথ্য থাকলে পুলিশকে সহায়তার অনুরোধে জানিয়েছেন।

পুলিশ যদিও ঘটনাটি কি সসন্ত্রাসী হামলা হিসাবে বিবেচনা করছে না। হেইট ক্রাইম বা বিদ্বেষ মূলক ধরেই তদন্ত করছে তাঁরা।