০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

গান্ধীর লেখা চিঠির মূল্য ৪ লাখ ৬০ হাজার রুপি

ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর চরকা কাটার গুরুত্ব নিয়ে লেখা একটি চিঠি ৪ লাখ ৬০ হাজার রুপিতে বিক্রি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক নিলামে ৬ হাজার ৩৫৮ ডলারে চিঠিটে বিক্রি হয়। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে চিঠিটি কবে লেখা হয়েছিল তা জানা নেই। খবর- আনন্দবাজার।

গুজরাতি ভাষায় লেখা ওই চিঠির নীচে স্বাক্ষরের বদলে মহাত্মা গান্ধীর লেখা, ‘বাপুর আশীর্বাদ’। জনৈক যশবন্ত প্রসাদের উদ্দেশে চিঠিটি লিখেছিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার নিলামঘর ‘আর আর অকশন’ এক বিবৃতিতে ওই চিঠি নিলামের কথা জানিয়েছে।

চিঠিতে এক জায়গায় মহাত্মা গান্ধী লিখেছেন, ‘চরকা নিয়ে আমরা যা আশা করেছিলাম, তা-ই হয়েছে।’ আরও এক লাইনে রয়েছে, ‘যাই হোক, আপনি যা বলছেন, তা-ই সঠিক। সব কিছুই চরকার উপর নির্ভর করছে।’

সে সময় ভারতের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে চরকাকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় বিদেশি বস্ত্র ত্যাগ করে চরকায় কাটা খাদির পোশাক পরতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চরকার গুরুত্বের কথা প্রচার করেছিলেন।

দেশের মানুষকে প্রতি দিন চরকা কাটার পরামর্শ ছিল মহাত্মা গান্ধীর। চরকা নিয়ে মহাত্মার ওই চিঠির গুরুত্ব তাই অপরিসীম। এদিকে চিঠিটি কত রুপিতে বিক্রি হয়েছে তা জানানো হলেও চিঠিটির নতুন মালিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

গান্ধীর লেখা চিঠির মূল্য ৪ লাখ ৬০ হাজার রুপি

প্রকাশিত : ০১:২৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর চরকা কাটার গুরুত্ব নিয়ে লেখা একটি চিঠি ৪ লাখ ৬০ হাজার রুপিতে বিক্রি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক নিলামে ৬ হাজার ৩৫৮ ডলারে চিঠিটে বিক্রি হয়। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে চিঠিটি কবে লেখা হয়েছিল তা জানা নেই। খবর- আনন্দবাজার।

গুজরাতি ভাষায় লেখা ওই চিঠির নীচে স্বাক্ষরের বদলে মহাত্মা গান্ধীর লেখা, ‘বাপুর আশীর্বাদ’। জনৈক যশবন্ত প্রসাদের উদ্দেশে চিঠিটি লিখেছিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার নিলামঘর ‘আর আর অকশন’ এক বিবৃতিতে ওই চিঠি নিলামের কথা জানিয়েছে।

চিঠিতে এক জায়গায় মহাত্মা গান্ধী লিখেছেন, ‘চরকা নিয়ে আমরা যা আশা করেছিলাম, তা-ই হয়েছে।’ আরও এক লাইনে রয়েছে, ‘যাই হোক, আপনি যা বলছেন, তা-ই সঠিক। সব কিছুই চরকার উপর নির্ভর করছে।’

সে সময় ভারতের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে চরকাকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় বিদেশি বস্ত্র ত্যাগ করে চরকায় কাটা খাদির পোশাক পরতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চরকার গুরুত্বের কথা প্রচার করেছিলেন।

দেশের মানুষকে প্রতি দিন চরকা কাটার পরামর্শ ছিল মহাত্মা গান্ধীর। চরকা নিয়ে মহাত্মার ওই চিঠির গুরুত্ব তাই অপরিসীম। এদিকে চিঠিটি কত রুপিতে বিক্রি হয়েছে তা জানানো হলেও চিঠিটির নতুন মালিকের নাম প্রকাশ করা হয়নি।