০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

তাইওয়ানকে ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদ দিবে যুক্তরাষ্ট্র

তাইওয়ানের কাছে ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব রসদের মধ্যে এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সামরিক আকাশযান রয়েছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পেন্টাগন ।

বিবৃতিতে পেন্টাগনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি বলেছে, “এই বিক্রয় প্রস্তাব ক্রয়কারীর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখবে। তারা ওই অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামরিক ভারসাম্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করছে।”

এই ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদের মধ্যে এফ-১৬, সি-১৩০, এফ-৫, আইডিএফ জঙ্গিবিমানের পাশাপাশি অন্যান্য আকাশযান সিস্টেম ও সাবসিস্টেম এবং লজিস্টিক ও প্রোগ্রাম সাপোর্ট সম্পর্কিত রসদ রয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। প্রস্তাবিত বিক্রয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এই বিক্রয় প্রস্তাবে ওই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যের বদল ঘটবে না এবং এসব রসদ তাইওয়ানের ‘প্রতিরক্ষা ও বিমানবহর’ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন বলে দাবি করেছে পেন্টাগন। এ পর্যায়ে তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বসে ক্রয়ের বিস্তারিত খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

তাইওয়ানকে ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদ দিবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১১:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

তাইওয়ানের কাছে ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব রসদের মধ্যে এফ-১৬ জঙ্গিবিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সামরিক আকাশযান রয়েছে বলে সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পেন্টাগন ।

বিবৃতিতে পেন্টাগনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি বলেছে, “এই বিক্রয় প্রস্তাব ক্রয়কারীর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার উন্নয়ন ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখবে। তারা ওই অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামরিক ভারসাম্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করছে।”

এই ৩৩ কোটি ডলারের সামরিক রসদের মধ্যে এফ-১৬, সি-১৩০, এফ-৫, আইডিএফ জঙ্গিবিমানের পাশাপাশি অন্যান্য আকাশযান সিস্টেম ও সাবসিস্টেম এবং লজিস্টিক ও প্রোগ্রাম সাপোর্ট সম্পর্কিত রসদ রয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। প্রস্তাবিত বিক্রয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এই বিক্রয় প্রস্তাবে ওই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যের বদল ঘটবে না এবং এসব রসদ তাইওয়ানের ‘প্রতিরক্ষা ও বিমানবহর’ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন বলে দাবি করেছে পেন্টাগন। এ পর্যায়ে তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বসে ক্রয়ের বিস্তারিত খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে হবে।