লিগে সর্বশেষ ম্যাচে হেরেছে বার্সেলোনা। হারের পর বার্সার কোচ বলেছিলেন, বার্সার এক একটি হার ভূমিকম্পের মতো। কিন্তু জয় কিসের মতো? বার্সেলোনা কোচকে প্রশ্ন করলে হয়তো বলবেন, বার্সার প্রত্যেকটি জয় খুব স্বাভাবিক। সেটা টটেনহ্যামের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে বড় জয় হলেও। চ্যাম্পিয়নস লিগে গেল ক’মৌসুমে বার্সার ভালো করতে না পারায় ফেবারিটের তালিকা থেকে অনেকে বাদ দিয়েছেন বার্সাকে। কিন্তু তারাও জানে, মেসি থাকতে বার্সা ফেবারিট।
বুধবার টটেনহ্যামের মাঠ ওয়েম্বলিতে মেসির জোড়া গোলে ৪-২ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। মেসি বুঝিয়ে দিয়েছেন এবার ইউরোপের সেরা হতে মুখিয়ে আছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের যাত্রা তিনি দারুণ এক হ্যাটট্রিক দিয়ে শুরু করেছেন। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচেও পেয়ে যেতে পারতেন হ্যাটট্রিক। কিন্তু গোল পোস্ট তাকে দু’বার গোল বঞ্চিত করেছে। তবে দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর শেষে তার দুই গোলেই জয় পায় বার্সা।
লন্ডনে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ফিলিপে কুতিনহোর গোলে ৯৫ সেকেন্ড লিড নেয় বার্সেলোনা। এরপর ২৮তম মিনিটে দারুণ এক ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাকিটিচ। এবার গোলে সহায়তা দেন কুতিনহো। শুরুতে মনে হয়েছিল দিনটা মনে হয় কুতিনহোময় হতে যাচ্ছে। ইংলিশ লিগে টটেনহ্যামের বিপক্ষে অনেক খেলেছেন তিনি। প্রতিপক্ষকে চেনা। কিন্তু এরপর আলো কাড়লেন মেসি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান কমায় স্পাররা। ম্যাচের ৫২ মিনিটে গোল করেন হ্যারি কেন। এরপর চার মিনিট যেতে না যেতে ব্যবধান বাড়ান মেসি। বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ৩-১ গোলে। এরপরই আবার গোল করে টটেনহ্যাম। এরকি লামেলা ৬৬ মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৩-২ করেন। এরপর বেশ জমে যায় ম্যাচ। বার্সেলোনা সমতায় শেষ করার শঙ্কায় ছিল। আর টটেনহ্যাম ছিল সমতা করার আশায়। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে টটেনহ্যামের জালে শেষ পেরেক ঠুকে দেন মেসি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে গোল করেন তিনি।
এছাড়া বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের অন্য খেলায় ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে মোনাকোকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমু্ড। বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুজকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। এছাড়া ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলি নিজেদের মাঠে ১-০ গোলে লিভারপুলকে হারিয়েছে। পোর্তো ১-০ গোলে জিতেছে গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে।
























