০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ক্যারিয়ারের ১৬তম হাফ সেঞ্চুরি ইমরুলের

দীর্ঘদিন পর ওপেনিং পজিশনে ফিরে এসে নিজেকে আবারও চেনালেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনে যখন একে একে উইকেট পড়ছে, তখন অন্যপাশে উইকেট আগলে রয়েছেন ইমরুল। শুধু উইকেট আগলে রাখাই নয়, তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক হাফ সেঞ্চুরি। যা ইমরুল কায়েসের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৬তম ফিফটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু মাঠে নামার সুযোগ পাননি। এশিয়া কাপের দলেই রাখা হয়নি তাকে। পরে জরুরি পরিস্থিতিতে দেশ থেকে উড়িয়ে নেয়া হয় তাকে। যদিও তিন ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলেও ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে পারেননি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করেছেন ৬ নম্বরে। ওই ম্যাচেই নিজেকে চেনান ৭২ রান করে।

২০০৮ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ইমরুল কায়েসের। সে থেকে আজ পর্যন্ত খেলেছেন ৭৪টি ওয়ানডে। ২১৩৫। সেঞ্চুরি ২টি এবং হাফ সেঞ্চুরি হলো ১৬টি।

এবার সেই ওপেনিংয়েই ফিরে এলেন ইমরুল এবং সঙ্গীরা একের পর এক বিদায় নিলেও দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যাট করে তিনি পৌঁছে যান হাফ সেঞ্চুরির মাইলফলকে। ৬৪ বল খেলে তিনি পৌঁছান ৫০-এর ঘরে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে মারেন ১টি ওভার বাউন্ডারি।

বিবি / ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ক্যারিয়ারের ১৬তম হাফ সেঞ্চুরি ইমরুলের

প্রকাশিত : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮

দীর্ঘদিন পর ওপেনিং পজিশনে ফিরে এসে নিজেকে আবারও চেনালেন বাংলাদেশ দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনে যখন একে একে উইকেট পড়ছে, তখন অন্যপাশে উইকেট আগলে রয়েছেন ইমরুল। শুধু উইকেট আগলে রাখাই নয়, তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক হাফ সেঞ্চুরি। যা ইমরুল কায়েসের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৬তম ফিফটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দলের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু মাঠে নামার সুযোগ পাননি। এশিয়া কাপের দলেই রাখা হয়নি তাকে। পরে জরুরি পরিস্থিতিতে দেশ থেকে উড়িয়ে নেয়া হয় তাকে। যদিও তিন ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলেও ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে পারেননি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাট করেছেন ৬ নম্বরে। ওই ম্যাচেই নিজেকে চেনান ৭২ রান করে।

২০০৮ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ইমরুল কায়েসের। সে থেকে আজ পর্যন্ত খেলেছেন ৭৪টি ওয়ানডে। ২১৩৫। সেঞ্চুরি ২টি এবং হাফ সেঞ্চুরি হলো ১৬টি।

এবার সেই ওপেনিংয়েই ফিরে এলেন ইমরুল এবং সঙ্গীরা একের পর এক বিদায় নিলেও দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যাট করে তিনি পৌঁছে যান হাফ সেঞ্চুরির মাইলফলকে। ৬৪ বল খেলে তিনি পৌঁছান ৫০-এর ঘরে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে মারেন ১টি ওভার বাউন্ডারি।

বিবি / ইএম