বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। আগামীকাল দুপুর অাড়াইটায় দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।
মিরপুর শেরেবাংলায় প্রথম ম্যাচ খেলে সোমবার বিকেলেই চট্টগ্রামে পৌঁছেছে টিম বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।
গতকাল অবশ্য দুই দলেরই ছিল বিশ্রামের দিন। আজ সকালে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দুই দলই শিডিউল করে অনুশীলন করবে।
চট্টগ্রামে দুই দলের মধ্যে সর্বশেষ যে দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে তাতে বাংলাদেশেরই ছিল জয়জয়কার। ২০১৪ সালের সে ম্যাচের একটিতে ৮৭ ও অন্যটিতে ৬৮ রানে জিতেছে টিম বাংলাদেশ। এবারো শেষ দুই ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যেই খেলতে নামবে বাংলাদেশ। অবশ্য প্রথম ম্যাচ জয়ের পর এখন দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলেই সিরিজ জয়। কিন্তু বাংলাদেশের টার্গেট শুধু সিরিজ জয়ের মধ্যেই নয়। সাথে সিরিজটা ৩-০ রাখার টার্গেট তাদের। চট্টগ্রামের ম্যাচ দুটিও অনুষ্ঠিত হবে দিবা-রাতে।
এ দিকে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং বিপর্যয় ছিল। ওপেনার ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মাদ সাইফুদ্দিন যদি ১২৭ রানের পার্টনারশিপ না খেলতেন তাহলে ইনিংস সমৃদ্ধ হতো না। চট্টগ্রামেও ইমরুল ঢাকার (১৪৪) রানের মতো ইনিংস খেলবেন সেই সাথে মুশফিক, লিটন, ফজলে রাব্বিরা ভালো করবেন এ প্রত্যাশা চট্টলাবাসীরও।
যেদিন দলে খেলার সুযোগ থাকবে না, নিজেই বলব ধন্যবাদ : ইমরুল
১০ বছরের ক্যারিয়ার ইমরুল কায়েসের। দলে ধারাবাহিকভাবে খেলা হয় না তার। উত্থান-পতন তো রয়েছেই। এই যে কয়েকদিন আগে শেষ মুহূর্তে এশিয়া কাপে দলে জায়গা হয়েছে তার। এরপর কাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি। সাথে দলের জয়। অনুভূতিটা অন্যরকম হওয়ারই কথা। ম্যাচ শেষে ইমরুল সাংবাদিকদের জানালেন মনের সেই কথাগুলো।
‘আমার সাথে অনেক খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়েছে, যারা এখন দৃশ্যপটেই নেই। লক্ষ্য ঠিক রাখাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সব সময়ই বিশ্বাস করি, আমার ক্যারিয়ার এত দ্রুত শেষ হতে পারে না। নিজেকে সে কারণেই তৈরি রাখি জাতীয় দলের জন্য। যেদিন আর জাতীয় দলে খেলার সুযোগ থাকবে না, নিজেই বলব ধন্যবাদ।’
ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন নিয়ে ইমরুল বলেন, ‘যখনই সুযোগ পাই, চেষ্টা করি ভালো করতে। সব সময়ই সুযোগের অপেক্ষায় থাকি। খেলোয়াড়দের জীবনে উত্থান-পতন থাকে। টানা ভালো খেলা কঠিন। আমার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। আমি বাদ পড়লে, সে জায়গায় যে এসেছে ভালো খেলেছে বলে আমার আর প্রয়োজন হয়নি। যেহেতু দেশের হয়ে খেললে অনেক ভালো লাগে। আমি এ সুযোগের অপেক্ষায় থাকি।’
রোববার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন ইমরুল। ১৪০ বলে ১৪৪ রানের অনবদ্য একটি ইনিংস খেলেন তিনি। ১৩ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি। এর ফলে ঘরের মাঠে সর্বোচ্চ এক ইনিংসের মালিক বনে যান তিনি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবালের। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩২ রান করেন তিনি।
বিবি/রেআ
























