প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৬ রানের জয়ে দুর্দান্তভাবে সিরিজে কামব্যাক করে বাংলাদেশ। ফলে ৩ টি-টোয়েন্টির সিরিজ ১-১ সমতায় রূপ নেয়। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় শিরোপা নির্ধারণী। এমন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে আগে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
ব্যাটিংয়ে নামে ঝড়ো সূচনা করে উইন্ডিজ। ফার্স্ট পেলে রেকর্ড ১ উইকেটে ৮৮ রান তুলে ফেলে সফরকারীরা। ১২ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ রান করে ফেরেন শাই হোপ। তাকে ফেরান সাকিব। তবে এভিন লুইস তাণ্ডব চলতেই থাকে। মাত্র ১৮ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে যা পঞ্চম দ্রুততম অর্ধশতকের রেকর্ড।
এ পরিস্থিতিতে ক্রিজে আসেন কিমো পল। তবে ঝড় তুলতে পারেননি তিনি। রানের ফোয়ারা ছোটানোর আগেই তাকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ খবর পর্যন্ত ৮ ওভার শেষে ২ উইকেটে ১০৮ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। লুইস ঝড় এখনও চলছে।২৮ বলে ৪ চারের বিপরীতে ৮ ছক্কায় ৭৬ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন তিনি।
এ লড়াইয়ে জিতলে ইতিহাস গড়বে বাংলাদেশ। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ সিরিজ জিতবে টাইগাররা। এর আগে কখনও টেস্ট,ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সিরিজ জেতা হয়নি তাদের। এবার ষোলোকলা পূর্ণ করতে চায় তারা।
এ লক্ষ্যে অপরিবর্তিত একাদশ মাঠে নামিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি একাদশই আছে স্বাগতিকদের। তবে একটি পরিবর্বতন এনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাদ পড়েছেন ড্যারেন ব্রাভো। অভিষেক হয়েছে ২০ বছর বয়সী ব্যাটিং অলরাউন্ডার শেরফান রাদারফোর্ডের।
বাংলাদেশ একাদশ: ১. তামিম ইকবাল, ২. লিটন দাস, ৩. সৌম্য সরকার, ৪. সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), ৫. মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), ৬. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ৭. আরিফুল হক ৮. মেহেদি হাসান মিরাজ, ৯. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ১০. আবু হায়দার রনি ও ১১. মোস্তাফিজুর রহমান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: এভিন লুইস, শাই হোপ (উইকেটরক্ষক), শিমরন হেটমায়ার, শেরফান রাদারফোর্ড, নিকোলাস পুরান, রোভম্যান পাওয়েল, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট (অধিনায়ক), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, কিমো পল, শেলডন কটরেল ও ওশান টমাস।
বিবি/ ইএম
























