সিরিজ নির্ধারণী শেষ টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ১৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
মিরপুর শের-ই-বাংলায় বিকেল ৫টায় দুই দলের ম্যাচটি শুরু হয়।
স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯০/১০ (১৯.২ ওভার)
সাকিবের জোড়া আঘাত
সাকিবের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিলেন অভিষিক্ত শেরফানে রাদারফোর্ড। ৬ বলে ২ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
সাকিবের বলে স্ট্যাম্পড অ্যালেন
এগিয়ে এসে সাকিবকে তুলে মারতে গিয়ে স্ট্যাম্পড হলেন অভিষিক্ত ফ্যাবিয়েন অ্যালেন। ৭ বলে ৮ রান করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
মুস্তাফিজের জোড়া আঘাত
নিকোলাস পুরাণের পর কার্লোস ব্রাফেটকে সাজঘরে পাঠালেন মুস্তাফিজ। জোড়া উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান থামিয়ে রেখেছেন মুস্তাফিজ। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ারে ড্রাইভ করতে গিয়ে গালিতে মিরাজের হাতে ক্যাচ দেন ব্রাফেট। ৭ বলে ৮ রান আসে ব্রাফেটের ব্যাট থেকে।
রনির দারুণ ক্যাচে সাজঘরে পুরাণ
লু্ইসকে জীবন দিয়ে বড় ইনিংস খেলার সুযোগ করে দিয়েছিলেন আবু হায়দার। সেই ভুল শুধুরে নিলেন দারুণ এক ক্যাচে। নিকোলাস পুরাণকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন দুর্দান্ত এক ডাইভিং ক্যাচে। মুস্তাফিজের বলে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দেন পুরাণ। দৌড়ে ডাইভ দিয়ে বল তালুবন্দি করেন রনি। ২৪ বলে ২৯ রান আসে পুরাণের ব্যাট থেকে।
মাহমুদউল্লাহর আরেকটি
মাহমুদউল্লাহর বল মিড উইকেট দিয়ে উড়াতে গিয়ে সীমানায় লিটনের হাতে ক্যাচ দেন রোভম্যান পাওয়েল। ১৬ বলে ১৯ রান তুলে সাজঘরে ফিরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে অধিনায়ক। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে তৃতীয় উইকেটের স্বাদ পেলেন মাহমুদউল্লাহ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেড়শ
সাকিবের লেন্থ বল লং অফ দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠালেন নিকোলাস পুরাণ। ১৪৭ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান পৌঁছে গেল ১৫১ এ। ১৩ ওভারে দলীয় দেড়শ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
‘গোল্ডেন ডাক’ হেটমায়ার
মাহমুদউল্লাহর করা প্রথম বলেই এলবিডব্লিউ হেটমায়ার। ‘গোল্ডেন ডাক’ হেটমায়ারের। দুই বলে দুই বড় উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।
বিপদজনক লুইসকে ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ
‘ম্যান উইথ দ্য গোল্ডেন আর্ম’- মাহমুদউল্লাহর কথাই আবার আসছে। বিপদজনক এভিন লুইসকে নিজের প্রথম ওভারেই ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ। ডানহাতি অফস্পিনারের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বল মিস করেন লুইস। ৩৬ বলে ৮৯ রানে সাজঘরে ফিরেছেন লুইস। ৬ চার ও ৮ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। বিপদজনক এ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফিরেছে বাংলাদেশ শিবিরে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের একশ
৩.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান পঞ্চাশ ছুঁয়েছিল। ৭.১ ওভারে সফরকারীদের দলের রান তিন অঙ্ক স্পর্শ করেছে। পঞ্চাশ ছুঁয়েছিল ১৯ বলে, পরের পঞ্চাশ পেয়েছে ২৪ বলে।
পারলেন না কিমো পল
ঝড় তুলতে পেস অলরাউন্ডার কিমো পালকে তিনে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু হাসেনি তার ব্যাট। ৩ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। মুস্তাফিজের বল উড়াতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে আরিফুলের হাতে ক্যাচ দেন পল।
পাওয়ার প্লে’তে দুর্দান্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাওয়ার প্লে’তে ৮৮ রান তুলে বড় সংগ্রহের দারুণ ভিত পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ৬ ওভারে বাংলাদেশ কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি।
সাকিবের রেকর্ড
৮৫ উইকেট নিয়ে আজকের ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন সাকিব। হোপের উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় তিনে উঠেছেন সাকিব। ৯৮ উইকেট নিয়ে সবার ওপরে শহীদ আফ্রিদি, ৯২ উইকেট নিয়ে দুইয়ে লাসিথ মালিঙ্গা। ৮৫ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সাকিবের পাশে ছিলেন উমর গুল ও সাঈদ আজমল।
সাকিবের বলে বোল্ড হোপ
প্রথম পাঁচ বলে ১৩ রান দিলেও শেষ বলে উইকেটের স্বাদ দিলেন সাকিব। হোপকে বোল্ড করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শিবিরে প্রথম আঘাত করেন সাকিব। ১২ বলে ২৩ রান করেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা হোপ।
লুইসের ফিফটি
১৮ বলে ফিফটির স্বাদ পেলেন এভিন লুইস। ইনিংসটি সাজাতে ৩ চার ও ৫ ছক্কা মেরেছেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান।
লুইসকে জীবন দিলেন রনি
বোলিংয়ে ব্যয়বহুল, ফিল্ডিংয়ে নড়বড়ে আবু হায়দার রনি। এভিন লুইস ঝড়ে রনি প্রথম দুই ওভারে ব্যয় করেন ৩৯ রান। চতুর্থ ওভারে তাকে ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ক্যাচ মিস করে লুইসকে জীবন দেন রনি। মিরাজের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে রনির হাতে ক্যাচ দেন ৪৮ রান করা লুইস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পঞ্চাশ
চতুর্থ ওভারে বোলিংয়ে পরিবর্তন আনলেন সাকিব। শাই হোপ চার মেরে স্বাগত জানালেন মেহেদী হাসান মিরাজকে। ৩.১ ওভারে দলীয় পঞ্চাশ রান পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তৃতীয় ওভারে চার ছক্কা
চার হাফ ভলিতে চার ছক্কা এভিন লুইসের। আবু হায়দার রনির করা তৃতীয় ওভারে বাঁহাতি ওপেনার চার ছক্কা হাঁকান লং অফ দিয়ে। প্রথম ওভারে ১২ রান দেওয়া রনি নিজের দ্বিতীয় ওভারে দেন ২৭ রান। তিন ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান বিনা উইকেটে ৪৭।
টস: টস জিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বাংলাদেশ অপরিবর্তিত, ওয়েস্ট ইন্ডিজের এক পরিবর্তন
তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ড্যারেন ব্রাভোর পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন শেরফানে রাদারফোর্ড।
বাংলাদেশ একাদশ
তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মাহমুদউল্লাহ, আরিফুল হক, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, আবু হায়দার রনি, মুস্তাফিজুর রহমান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ
এভিন লুইস, শাই হোপ, শিমরন হেটমায়ার, শেরফানে রাদারফোর্ড, নিকোলাস পুরাণ, রোভম্যান পাওয়েল, কার্লোস ব্রাফেট (অধিনায়ক), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, কিমো পল, শেলডন কটরেল, ওশানে টমাস।
মাইলফলকের সামনে সাকিব
মাত্র একটি উইকেট পেলে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় এককভাবে তিনে উঠে যাবেন সাকিব আল হাসান। ৮৫ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে সাকিব, সাঈদ আজমল ও উমর গুল রয়েছেন তিনে। দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে ছাড়িয়ে যেতে সাকিবের প্রয়োজন এক উইকেট। ৯৮ উইকেট নিয়ে সবার ওপরে শহীদ আফ্রিদি, ৯২ উইকেট নিয়ে দুইয়ে লাসিথ মালিঙ্গা। পাশাপাশি ব্যাট হাতে ১৫০০ রান পেতে সাকিবের প্রয়োজন ২৯ রান। ১৪৭১ রান নিয়ে মিরপুরে আজ মাঠে নামবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
জয়ে মিলবে একাধিক প্রাপ্তি
চলতি বছর তিন ফরম্যাটে মোট ৪৩ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। জয়-পরাজয়ের ব্যবধান সমান সমান, অর্থাৎ ২১-২১। শেষ ম্যাচটি তাই জয়ের পাল্লা ভারী করার শেষ সুযোগ। ম্যাচটি জিতে গেলে টি-টোয়েন্টি সিরিজও হবে বাংলাদেশের। আর এ ‘ফাইনাল’ জিতলে দারুণ একটি অর্জন বাংলাদেশের পাশে যোগ হচ্ছে। কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে প্রতিপক্ষকে তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারানোর স্বাদ কখনো পায়নি বাংলাদেশ। এবার সেটির বড় সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে।
অনুপ্রেরণা ফ্লোরিডার দুই টি-টোয়েন্টি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে একই চ্যালেঞ্জ ছিল বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের পর বাংলাদেশ ফ্লোরিডায় শেষ দুই টি-টোয়েন্টি জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়। সেবার আন্দ্রে রাসেল, জেসন হোল্ডার ছিলেন। এবার তারা না থাকলেও দলটা শক্তিশালী। দেশের বাইরে পিছিয়ে থেকে সিরিজ জিততে পারলে দেশের মাটিতে কি পারবে না বাংলাদেশ? ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওই সফর থেকেই আত্মবিশ্বাস নিচ্ছে বাংলাদেশ।
বিবি/ ইএম

























