০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম আটক

দেবিদ্বারে এক কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগের ১ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক ইমাম’কে আটক করছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ।
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় ছোট শালঘর এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ মো. মাহফুজুর রহমান (২১) নামক এক মসজিদের ইমাম কে গ্রেফতার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে ১৩ এপ্রিল (রবিবার) সকাল ১০ টায় উপজেলার ছোট শালঘর দক্ষিণ পাড়ার বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমামের থাকার ঘরে। অভিযুক্ত ইমাম দেবিদ্বার উপজেলার ভিরাল্লা গ্রামের (আবুল বাড়ির) মো. সাইদুল ইসলাম ছেলে। থানা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা অভিযুক্ত মো. মাহফুজুর রহমানকে বাদী করে দেবিদ্বার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ওই কিশোরীর ভ্যানচালক বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে আমাদের পুরনো বাড়িতে যাওয়া-আসা করতো। পথে প্রায় সময়ই ওই ইমাম তাকে উক্ত্যক্ত করতো এবং কু-প্রস্তাব দিত। ঘটনার দিন সকালে বাড়ি যাওয়ার পথে ওই ইমাম রাস্তা থেকে ডেকে মসজিদের পূর্ব পাশে থাকার রুমে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে।

ভিকটিমের মা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করে বর্তমানে আর লেখাপড়া করে না। সে বাড়িতেই থাকে এবং গৃহস্থালীর কাজ করেন। পরে ওই কিশোরী বাড়ি যেয়ে তার মায়ের কাছে গোপনাঙ্গে রক্তপাতের কথা বললে তিনি দ্রুত মেয়ের বাবাকে জানান। এরপর ওই কিশোরীর বাবা-মা তাকে দ্রুত দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়।
ইউপি সদস্য আলম হাজারী বলেন, ঘটনার শুনে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে অভিযুক্ত ইমামকে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে দেবিদ্বার থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করেন।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, আমরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। সেই সাথে ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইমাম মাহফুজুর রহমান ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার সকালে ওই ইমামকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম আটক

প্রকাশিত : ১০:৫২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৯

দেবিদ্বারে এক কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগের ১ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষক ইমাম’কে আটক করছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ।
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় ছোট শালঘর এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ মো. মাহফুজুর রহমান (২১) নামক এক মসজিদের ইমাম কে গ্রেফতার করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে ১৩ এপ্রিল (রবিবার) সকাল ১০ টায় উপজেলার ছোট শালঘর দক্ষিণ পাড়ার বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমামের থাকার ঘরে। অভিযুক্ত ইমাম দেবিদ্বার উপজেলার ভিরাল্লা গ্রামের (আবুল বাড়ির) মো. সাইদুল ইসলাম ছেলে। থানা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বাবা অভিযুক্ত মো. মাহফুজুর রহমানকে বাদী করে দেবিদ্বার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ওই কিশোরীর ভ্যানচালক বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে আমাদের পুরনো বাড়িতে যাওয়া-আসা করতো। পথে প্রায় সময়ই ওই ইমাম তাকে উক্ত্যক্ত করতো এবং কু-প্রস্তাব দিত। ঘটনার দিন সকালে বাড়ি যাওয়ার পথে ওই ইমাম রাস্তা থেকে ডেকে মসজিদের পূর্ব পাশে থাকার রুমে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে।

ভিকটিমের মা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করে বর্তমানে আর লেখাপড়া করে না। সে বাড়িতেই থাকে এবং গৃহস্থালীর কাজ করেন। পরে ওই কিশোরী বাড়ি যেয়ে তার মায়ের কাছে গোপনাঙ্গে রক্তপাতের কথা বললে তিনি দ্রুত মেয়ের বাবাকে জানান। এরপর ওই কিশোরীর বাবা-মা তাকে দ্রুত দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়।
ইউপি সদস্য আলম হাজারী বলেন, ঘটনার শুনে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে অভিযুক্ত ইমামকে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে দেবিদ্বার থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে অভিযুক্ত ইমামকে আটক করেন।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, আমরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। সেই সাথে ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইমাম মাহফুজুর রহমান ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার সকালে ওই ইমামকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।