জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সোমবার (১৫ জুলাই) দুটি জানাজা হবে ঢাকায়।
এর একটি হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়, আরেকটি হবে বায়তুল মোকাররমে। এ ছাড়া তাঁকে কাকরাইলের দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে নেতাকর্মীরা সাবেক এই রাষ্ট্রপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
রবিবার (১৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মারা যান এইচ এম এরশাদ। রবিবারই বাদ জোহর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁর মরদেহ সিএমএইচের হিমঘরে রাখা হয়।
বিগত শতাব্দীর আশির দশকে সামরিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে টানা আট বছর রাষ্ট্রপতি পদে ছিলেন এরশাদ।
নব্বইয়ের দশকের শেষে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিদায় নেন এই সামরিক শাসক। গত বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি নানা রোগে ভুগছিলেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মারা যাওয়ার পর পরই দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা দলের পক্ষ থেকে সিএমএইচে গণমাধ্যমের কাছে এরশাদের ব্যাপারে পরবর্তী কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন। এ সময় সেখানে জাতীয় পার্টির ঊর্ধ্বতন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিরোধীদলীয় নেতার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এরশাদের মরদেহ রাখা হবে দলীয় নেতাকর্মীদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য।
বাদ আসর বায়তুল মোকাররমে এরশাদের আরো একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ ফের সিএমএইচের হিমঘরে রাখা হবে।
বিবি/জেজে


























