হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি : সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মেট্রিক থার্ড ডিভিশনে (এসএসসি) আর ইন্টারমেডিয়েট ফাস্ট ডিভিশনে পাস করেছিলেন। কলেজে পড়া অবস্থায় তার সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা কাজ করত। ভালো ফুটবল খেলত সে কারণে তাকে অনেকেই রংপুর টাউন ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলার জন্য খেলোয়াড় হিসেবে ভাড়া করে নিয়ে যেত।
কলেজ জীবনে মাছ ধরতে ও ফুটবল খেলতে খুব পছন্দ করতেন। এরশাদসহ আমি প্রায়দিন রংপুরের দর্শনা বিলে মাছ ধরে কলেজ হোস্টেলে সবাই রান্না করে খেতাম। এরশাদ ১৯৪৬ সালে ভারতের দিনহাটা থেকে এসে রংপুর কারমাইকেল কলেজে ভর্তি হয়। ওই সময় এরশাদের সাথে আমার বন্ধুত্ব গড়ে উঠে এভাবেই প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদকে নিয়ে কলেজ জীবনের স্মৃতিচারণ করছিলেন তাঁর বন্ধু আজিজার রহমান খেরু মিয়া।
গতকাল রোববার বিকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আজিজার রহমান খেরু মিয়া লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।
বন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে খেরু মিয়া বলেন, গত বছর আমি অসুস্থ হওয়ায় রংপুরে গিয়ে এরশাদের সাথে দেখা করে শেষ বিদায় নিয়েছিলাম। কিন্তু আমার বিদায়ের আগে সে চলে যাবে এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।
খেরু মিয়া বলেন, এরশাদের মাঝে প্রচণ্ড মানবতা কাজ করত। তার মাঝে কোনো লোভ-লালসা বা বাজে নেশা ছিল না। সিগারেট তো দূরের কথা পান পর্যন্ত খেতে না এরশাদ। সে মাছ ধরে নিজের হাতে রান্না করে কলেজ হোস্টেলে সবাইকে খাওয়াত। বাজার করতে প্রায় সময় নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করত এরশাদ। তবে দেখতে সুদর্শন হওয়ায় মেয়েরা তাকে খুব পছন্দ করত।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ




















