১২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মশক নিধনে নতুন ওষুধ

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে চীন থেকে নতুন ওষুধের নমুনা আমদানি করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ভারত থেকে এনেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

এর মধ্যে ডিএসসিসি ওষুধের নমুনা প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করেছে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং খামারবাড়ির উদ্ভিদ সংরক্ষণ শাখায়। ডিএনসিসি ওষুধের মান পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু ফলাফল কী হয়, সে বিষয়ে আগেভাগেই কিছু বলতে চাইছেন না ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তবে তিনি বলেছেন, ‘দেখা যাক কী হয়।’

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ভারতের ‘ইন্ডিয়া বায়ার করপোরেশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন ওষুধের নমুনা এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছি। প্রথম ধাপের পরীক্ষা শেষে খামারবাড়ি ও আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে। দেখা যাক রিপোর্টে কী আসে।

গত শুক্রবার ভারত থেকে আমদানি করা নতুন ওষুধের মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষা চালায় ডিএসসিসি। নগর ভবনের মূল ফটকের সামনে তিনটি খাঁচার প্রতিটিতে ৫০টি মশা রেখে পরীক্ষা চালানো হয়। দু-তিন ফুট দূর থেকে মশার ওষুধ স্প্রে করা হয়। ৩০ মিনিটের পরীক্ষা শেষে প্রথম খাঁচার ৫০টি মশার মধ্যে ১৩টি, দ্বিতীয় খাঁচার ১৪টি এবং তৃতীয় খাঁচার ৯টি মশা জ্ঞান হারায়।

কলকাতা থেকে আসা মশক গবেষক শুভ দে জানান, নতুন ওষুধে মশা মরতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে ৮০ শতাংশ মশার মৃত্যু হলে ধরে নেয়া হবে ওষুধের মান ঠিক আছে। আর বায়ার করপোরেশনের মশার ওষুধ মশা নিধনে কার্যকর। এ ওষুধে যেন পরিবেশের ক্ষতি না হয়, সেদিকটাও লক্ষ্য রাখা হয়।

জানা গেছে, শনিবার ২৪ ঘণ্টা শেষে ওষুধের কার্যকারিতা পাওয়া যায়। পরে ওই ওষুধের নমুনা আইইডিসিআর ও খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে পাঠানো হয়।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখন বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে যা মতামত দেবেন, তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, এ ওষুধ ব্যবহার করা হবে কিনা।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মশক নিধনে নতুন ওষুধ

প্রকাশিত : ১১:৫০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে চীন থেকে নতুন ওষুধের নমুনা আমদানি করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ভারত থেকে এনেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

এর মধ্যে ডিএসসিসি ওষুধের নমুনা প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করেছে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং খামারবাড়ির উদ্ভিদ সংরক্ষণ শাখায়। ডিএনসিসি ওষুধের মান পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু ফলাফল কী হয়, সে বিষয়ে আগেভাগেই কিছু বলতে চাইছেন না ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তবে তিনি বলেছেন, ‘দেখা যাক কী হয়।’

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ভারতের ‘ইন্ডিয়া বায়ার করপোরেশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন ওষুধের নমুনা এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছি। প্রথম ধাপের পরীক্ষা শেষে খামারবাড়ি ও আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে। দেখা যাক রিপোর্টে কী আসে।

গত শুক্রবার ভারত থেকে আমদানি করা নতুন ওষুধের মাঠ পর্যায়ের পরীক্ষা চালায় ডিএসসিসি। নগর ভবনের মূল ফটকের সামনে তিনটি খাঁচার প্রতিটিতে ৫০টি মশা রেখে পরীক্ষা চালানো হয়। দু-তিন ফুট দূর থেকে মশার ওষুধ স্প্রে করা হয়। ৩০ মিনিটের পরীক্ষা শেষে প্রথম খাঁচার ৫০টি মশার মধ্যে ১৩টি, দ্বিতীয় খাঁচার ১৪টি এবং তৃতীয় খাঁচার ৯টি মশা জ্ঞান হারায়।

কলকাতা থেকে আসা মশক গবেষক শুভ দে জানান, নতুন ওষুধে মশা মরতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে ৮০ শতাংশ মশার মৃত্যু হলে ধরে নেয়া হবে ওষুধের মান ঠিক আছে। আর বায়ার করপোরেশনের মশার ওষুধ মশা নিধনে কার্যকর। এ ওষুধে যেন পরিবেশের ক্ষতি না হয়, সেদিকটাও লক্ষ্য রাখা হয়।

জানা গেছে, শনিবার ২৪ ঘণ্টা শেষে ওষুধের কার্যকারিতা পাওয়া যায়। পরে ওই ওষুধের নমুনা আইইডিসিআর ও খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে পাঠানো হয়।

ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখন বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে যা মতামত দেবেন, তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, এ ওষুধ ব্যবহার করা হবে কিনা।

বিবি/জেজে