১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

শুভ জন্মদিন তামিম ইকবাল খান

তামিম ইকবাল খান

১৯৮৯ সালের আজকের এই দিনে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, দেশের ইতিহাসে সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল খান। আর আজ তার ৩১তম জন্মদিন। দেশসেরা এই ওপেনারের জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

১৯৮৯ সালের ২০ মার্চ চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে বিখ্যাত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তামিম ইকবাল। নিঃসন্দেহেই দেশের এক নম্বর ব্যাটসম্যান এর তকমা তামিম ইকবালেরই। তার সাহস, আস্থা, আত্মবিশ্বাস ও পারফরম্যান্সই এই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে গেছে এক অন্য উচ্চতায়। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা ও রান করার কারণে তামিম হয়ে উঠেছেন টাইগার শিবিরের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার প্রতীক। তামিম ইকবালই টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি এই তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশের সফলতম ব্যাটসম্যান।

বাবা ইকবাল খান ছিলেন একজন ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়ানুরাগী ও ক্রীড়া অন্তঃপ্রাণ। একই সঙ্গে খেলেছেন ফুটবল ও ক্রিকেট। সত্তর দশকে ঢাকার ফুটবলের সূর্য যখন মধ্যগগণে, তখন ইকবাল খান ছিলেন নামী ফুটবলারদের একজন।

ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মোহামেডানের অধিনায়ক ইকবাল খান ফুটবলের পাশাপাশি খেলেছেন ক্রিকেটও। চট্টগ্রাম লিগে ছিলো তার সেঞ্চুরি।

এছাড়া, তামিম ইকবালের চাচা আকরাম খান ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার হাত ধরেই ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে উড়েছিল ক্রিকেটে জয়ের কেতন। বড় ভাই নাফিস ইকবালও ছিলেন জাতীয় দলের স্টাইলিশ ওপেনার, টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানও। স্বভাবতই ক্রিকেটটা তামিমের রক্তে, অস্থি ও মজ্জায়।

ড্যাশিং এই ওপেনারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অঙ্গনে অভিষেক হয় ২০০৭ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। জাতীয় দলের একাদশে অবিচ্ছেদ্য এক অংশই হয়ে গেছেন তিনি।

এখন পর্যন্ত তিন ফরমেটেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। খেলেছেন ৬০ টেস্ট, ২০৭ ওয়ানডে আর ৭৮টি টি-টোয়েন্টি। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তিন ফরমেটেই সেঞ্চুরি আছে তার। মোট সেঞ্চুরি ২৩টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ আরিফ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শুভ জন্মদিন তামিম ইকবাল খান

প্রকাশিত : ০৬:১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২০

১৯৮৯ সালের আজকের এই দিনে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, দেশের ইতিহাসে সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল খান। আর আজ তার ৩১তম জন্মদিন। দেশসেরা এই ওপেনারের জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

১৯৮৯ সালের ২০ মার্চ চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে বিখ্যাত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তামিম ইকবাল। নিঃসন্দেহেই দেশের এক নম্বর ব্যাটসম্যান এর তকমা তামিম ইকবালেরই। তার সাহস, আস্থা, আত্মবিশ্বাস ও পারফরম্যান্সই এই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে গেছে এক অন্য উচ্চতায়। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা ও রান করার কারণে তামিম হয়ে উঠেছেন টাইগার শিবিরের সবচেয়ে বড় নির্ভরতার প্রতীক। তামিম ইকবালই টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি এই তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশের সফলতম ব্যাটসম্যান।

বাবা ইকবাল খান ছিলেন একজন ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়ানুরাগী ও ক্রীড়া অন্তঃপ্রাণ। একই সঙ্গে খেলেছেন ফুটবল ও ক্রিকেট। সত্তর দশকে ঢাকার ফুটবলের সূর্য যখন মধ্যগগণে, তখন ইকবাল খান ছিলেন নামী ফুটবলারদের একজন।

ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মোহামেডানের অধিনায়ক ইকবাল খান ফুটবলের পাশাপাশি খেলেছেন ক্রিকেটও। চট্টগ্রাম লিগে ছিলো তার সেঞ্চুরি।

এছাড়া, তামিম ইকবালের চাচা আকরাম খান ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার হাত ধরেই ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে উড়েছিল ক্রিকেটে জয়ের কেতন। বড় ভাই নাফিস ইকবালও ছিলেন জাতীয় দলের স্টাইলিশ ওপেনার, টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানও। স্বভাবতই ক্রিকেটটা তামিমের রক্তে, অস্থি ও মজ্জায়।

ড্যাশিং এই ওপেনারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অঙ্গনে অভিষেক হয় ২০০৭ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। জাতীয় দলের একাদশে অবিচ্ছেদ্য এক অংশই হয়ে গেছেন তিনি।

এখন পর্যন্ত তিন ফরমেটেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম। খেলেছেন ৬০ টেস্ট, ২০৭ ওয়ানডে আর ৭৮টি টি-টোয়েন্টি। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে তিন ফরমেটেই সেঞ্চুরি আছে তার। মোট সেঞ্চুরি ২৩টি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ আরিফ