০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

কিংবদন্তী অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর জন্মদিন আজ

মেরিলিন মনরো

মেরিলিন মনরো। তাকে বলা হত হলিউডের সবচেয়ে আবেদনময়ী অভিনেত্রী। সেই সুনাম এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই যার জীবনের ইতি ঘটে। তার সাথেই হারিয়ে যায় হলিউডের এক সম্ভাবনার নাম। ১ জুন এই কিংবদন্তীর জন্মদিন।

১৯২৬ সালের পহেলা জুন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেন তিনি। মা গ্লেডিস বেকার আর বাবা মর্টেনসেন বেকার তার নাম রাখেন নর্মা জীন বেকার। এর পর চার দফায় পরিবর্তন আসে তার নামে। সবশেষে মেরিলিন মনরোতে গিয়ে থিতু হয় তার নাম।

যেই নাম না জানা মানুষ এখন খুঁজে পাওয়া দায়। নিজের যোগ্যতা আর রূপ দিয়ে তিনি কোটি মানুষের মন কেড়েছেন যে ধারা এখনও অব্যাহত আছে।

প্রথম জীবনের পুরোটাই ফস্টার কিড হিসেবে কাটে তার। মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। তার আকর্ষণীয় রূপ আর দেহকাঠামো অল্পদিনেই সবার নজর কাড়ে। প্রথম দিকে চলচ্চিত্রে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও ৫০ এর দশকে দ্য আশফাল্ট জাঙ্গল আর অল এবাউট ইভ দিয়ে তিনি চমকে দেন সবাইকে। ৫২ তে ডোন্ট বদার টু নক এবং ৫৩ তে নায়াগ্রা সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করে মেরিলিন এক নতুন সূচনা করেন।

৬২ তে একদিন নিজের ফ্ল্যাটেই মেরিলিনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেরিলিনে এভাবে ঝরে পড়ার মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় মার্কিনীদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রহস্যের। যা এখনও রহস্য হয়েই আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

জনপ্রিয়

ধনি গরীব সকলের জন্য একই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

কিংবদন্তী অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর জন্মদিন আজ

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২০

মেরিলিন মনরো। তাকে বলা হত হলিউডের সবচেয়ে আবেদনময়ী অভিনেত্রী। সেই সুনাম এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই যার জীবনের ইতি ঘটে। তার সাথেই হারিয়ে যায় হলিউডের এক সম্ভাবনার নাম। ১ জুন এই কিংবদন্তীর জন্মদিন।

১৯২৬ সালের পহেলা জুন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্ম নেন তিনি। মা গ্লেডিস বেকার আর বাবা মর্টেনসেন বেকার তার নাম রাখেন নর্মা জীন বেকার। এর পর চার দফায় পরিবর্তন আসে তার নামে। সবশেষে মেরিলিন মনরোতে গিয়ে থিতু হয় তার নাম।

যেই নাম না জানা মানুষ এখন খুঁজে পাওয়া দায়। নিজের যোগ্যতা আর রূপ দিয়ে তিনি কোটি মানুষের মন কেড়েছেন যে ধারা এখনও অব্যাহত আছে।

প্রথম জীবনের পুরোটাই ফস্টার কিড হিসেবে কাটে তার। মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। তার আকর্ষণীয় রূপ আর দেহকাঠামো অল্পদিনেই সবার নজর কাড়ে। প্রথম দিকে চলচ্চিত্রে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও ৫০ এর দশকে দ্য আশফাল্ট জাঙ্গল আর অল এবাউট ইভ দিয়ে তিনি চমকে দেন সবাইকে। ৫২ তে ডোন্ট বদার টু নক এবং ৫৩ তে নায়াগ্রা সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করে মেরিলিন এক নতুন সূচনা করেন।

৬২ তে একদিন নিজের ফ্ল্যাটেই মেরিলিনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেরিলিনে এভাবে ঝরে পড়ার মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় মার্কিনীদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রহস্যের। যা এখনও রহস্য হয়েই আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ