০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন এবি ব্যাংকের দুই সাবেক কর্মকর্তা

সিঙ্গাপুরে অফশোর প্রতিষ্ঠান তৈরি করে টাকা পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাঁদের দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার আগেই রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে হাজির হন এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি বেরিয়ে আসেন। এ সময় তিনি জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু বলেননি। তিনি বলেন, ‘যা বলার ওপরে জিজ্ঞাসাবাদে বলেছি।’

ব্যাংকটির সাবেক এমডি ফজলার রহমানের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় সকাল ১০টার দিকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল পাঁচটার দিকে বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্যাখ্যা দিয়েছি। বাকিটা তারা (দুদক) ভালো বলতে পারবে।’ মুদ্রা পাচারে জড়িত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’

বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে গতকাল বুধবার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, এর আগে ৯ ডিসেম্বর এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমান, শামীম আহমেদ চৌধুরী এবং হেড অব ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশে তাঁদের ১৩ ডিসেম্বর ও ১৪ ডিসেম্বর দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য উপস্থিত হতে বলা হয়। কিন্তু ওই সময় তাঁরা আসেননি।

বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের অফশোর ইউনিটের মাধ্যমে চার বিদেশি কোম্পানির নামে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৩৪০ কোটি) বের করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন এবি ব্যাংকের দুই সাবেক কর্মকর্তা

প্রকাশিত : ০৭:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

সিঙ্গাপুরে অফশোর প্রতিষ্ঠান তৈরি করে টাকা পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাঁদের দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার আগেই রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে হাজির হন এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি বেরিয়ে আসেন। এ সময় তিনি জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু বলেননি। তিনি বলেন, ‘যা বলার ওপরে জিজ্ঞাসাবাদে বলেছি।’

ব্যাংকটির সাবেক এমডি ফজলার রহমানের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় সকাল ১০টার দিকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল পাঁচটার দিকে বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্যাখ্যা দিয়েছি। বাকিটা তারা (দুদক) ভালো বলতে পারবে।’ মুদ্রা পাচারে জড়িত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’

বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে গতকাল বুধবার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, এর আগে ৯ ডিসেম্বর এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমান, শামীম আহমেদ চৌধুরী এবং হেড অব ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশে তাঁদের ১৩ ডিসেম্বর ও ১৪ ডিসেম্বর দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য উপস্থিত হতে বলা হয়। কিন্তু ওই সময় তাঁরা আসেননি।

বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের অফশোর ইউনিটের মাধ্যমে চার বিদেশি কোম্পানির নামে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৩৪০ কোটি) বের করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।