বুধবার মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ শিকারে ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা। সমুদ্রগামী ও স্থানীয় নদ নদীতে ইলিশ আহরণকারী জেলেরা সকল প্রস্তুতি আগেভাগেই সম্পন্ন করেছে। রাত ১২টার পর ট্রলার নিয়ে সাগর যাত্রা করবেন তারা। আর স্থানীয় জেলেরাও বরিশালের নদ-নদীতে ইলিশ শিকারের জন্য নেমে পরবেন।
মেহেন্দেগঞ্জের উলানিয়ার মৎসজীবী মো. মন্টু আকন বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর যাতে জেলেরা ট্রলার নিয়ে দ্রুত সাগরে যেতে পারেন, সে জন্য মেঘনার পর এলাকার জেলেরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে তারা ইলিশ ধরতে সাগর ও নদীতে ছুটে চলবে।
বরিশাল পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিরাব হোসেন টুটুল বলেন, ইলিশের মৌসুম মূলত অক্টোবরেই শেষ। তারপরও নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর প্রতিবছরই সপ্তাহখানেক প্রচুর ইলিশ জালে ধরা পড়ে। আশা করি এবারও সে রকমই হবে।
বরিশালের মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) ড. বিমল দাস জানান, সাধারণ জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার ব্যাপারে খুবই আন্তরিক ছিলেন। কিন্তু কিছু আসাধু মৌসুমি ইলিশ শিকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে নেমেছে ইলিশ শিকারে। আমরাও তাদের বিন্দু পরিমানের ছাড় দেই নাই।
নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিনে বিভাগের ছয় জেলার ৯৮০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান হয়েছে ৯০৮ টি। মামলা করা হয়েছে এক হাজার ৮৪টি। জরিমানা আদায় হয়েছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মা ইলিশ উদ্ধার হয়েছে ৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন।
বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনিসুর রহমান তালুকদার বলেন, সবার সহযোগিতায় এবারের নিষেধাজ্ঞা আগের তুলনায় অনেক বেশি সফল হয়েছে। ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে আশা করা যাচ্ছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

























