০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে রহস্যময় বস্তু

রহস্যময় এক বস্তু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এটা কি পৃথিবীকে আঘাত করবে। এমন নানা প্রশ্ন চারদিকে। কিন্তু যে বস্তুটি এভাবে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে তার সম্পর্কে জানেন না বিজ্ঞানীরা। তারা বলতে পারছেন না- এটা কি। এর প্রকৃতিই বা কি। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একে চিহ্নিত করেছেন ২০২০ এসও নামে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেস্ট স্টাডিজের (সিএনইওএস) মতে, আজ কোনো এক সময় ২০২০ এসও পৃথিবীর ৩১ হাজার ৬০৫ মাইল দূরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

একে বলা হচ্ছে পৃথিবীর একেবারে কাছ দিয়ে চলে যাওয়া। ২০২০ এসও যে দূরত্ব বজায় রেখে যাবে তা আমাদের পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যবর্তী দূরত্বের শতকরা ১৩ ভাগের মতো। এ কথা বলেছেন, ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্টের জ্যোতির্বিজ্ঞানী গিয়ানলুকা মাসি। ওই বস্তুটিকে পরিমাপ করা হয়েছে আড়াআড়িভাবে ১৫ থেকে ৩৩ ফুটের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের মাউয়িতে অবস্থিত প্যান স্টারস-এর এক পর্যবেক্ষণে ১৭ই সেপ্টেম্বর এটা শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যাবেক্ষণে দেখা গেছে, এটি একটি অ্যাস্টেরিওয়ড বা গ্রহাণু। কিন্তু সিএনইওএসের বিজ্ঞানীরা দ্রুত বুঝতে পারেন যে, ২০২০ এসও কোনো সাধারণ গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড নয়। মাসি বলেছেন, আমরা নিশ্চিত নই যে, এই বস্তুটি একটি অ্যাস্টেরয়েড। তবে এটি একটি প্রাকৃতিক কিছু।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ভাড়া বাসা থেকে পিকআপ চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে রহস্যময় বস্তু

প্রকাশিত : ০৪:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

রহস্যময় এক বস্তু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এটা কি পৃথিবীকে আঘাত করবে। এমন নানা প্রশ্ন চারদিকে। কিন্তু যে বস্তুটি এভাবে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে তার সম্পর্কে জানেন না বিজ্ঞানীরা। তারা বলতে পারছেন না- এটা কি। এর প্রকৃতিই বা কি। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একে চিহ্নিত করেছেন ২০২০ এসও নামে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেস্ট স্টাডিজের (সিএনইওএস) মতে, আজ কোনো এক সময় ২০২০ এসও পৃথিবীর ৩১ হাজার ৬০৫ মাইল দূরত্বের মধ্যে চলে আসবে।

একে বলা হচ্ছে পৃথিবীর একেবারে কাছ দিয়ে চলে যাওয়া। ২০২০ এসও যে দূরত্ব বজায় রেখে যাবে তা আমাদের পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যবর্তী দূরত্বের শতকরা ১৩ ভাগের মতো। এ কথা বলেছেন, ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্টের জ্যোতির্বিজ্ঞানী গিয়ানলুকা মাসি। ওই বস্তুটিকে পরিমাপ করা হয়েছে আড়াআড়িভাবে ১৫ থেকে ৩৩ ফুটের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের মাউয়িতে অবস্থিত প্যান স্টারস-এর এক পর্যবেক্ষণে ১৭ই সেপ্টেম্বর এটা শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যাবেক্ষণে দেখা গেছে, এটি একটি অ্যাস্টেরিওয়ড বা গ্রহাণু। কিন্তু সিএনইওএসের বিজ্ঞানীরা দ্রুত বুঝতে পারেন যে, ২০২০ এসও কোনো সাধারণ গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড নয়। মাসি বলেছেন, আমরা নিশ্চিত নই যে, এই বস্তুটি একটি অ্যাস্টেরয়েড। তবে এটি একটি প্রাকৃতিক কিছু।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ