০৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ মানুষকে অন্ধকার পথ থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। তাঁরা স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে ইহলৌকিক শান্তি ও পারলৌকিক মুক্তির জন্য সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত হতে সবাইকে প্রেরণা জুগিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বড়দিন উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক মহান যীশুখ্রিষ্টের জন্মদিন হিসেবে বড়দিন বিশ্বের সব খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন। বাংলাদেশেও দিনটি সমমর্যাদায় প্রতিবছর উদযাপিত হয়।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, মহান যীশুখ্রিষ্টও একইভাবে তাঁর অনুসারীদের অসত্য ও অন্যায়ের পথ পরিহার করে পরিশুদ্ধ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে উপদেশ দিয়েছেন। বড়দিন একটি ধর্মীয় উৎসব। আর প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবের অন্তর্লোক হচ্ছে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও শুভেচ্ছা। মহামানবদের প্রদর্শিত পথ অনুসরণই বয়ে আনতে পারে সার্বিক কল্যাণ।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন : ফখরুল

প্রকাশিত : ০৫:০০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুগে যুগে ধর্ম প্রচারকগণ মানুষকে অন্ধকার পথ থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। তাঁরা স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে ইহলৌকিক শান্তি ও পারলৌকিক মুক্তির জন্য সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত হতে সবাইকে প্রেরণা জুগিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বড়দিন উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক মহান যীশুখ্রিষ্টের জন্মদিন হিসেবে বড়দিন বিশ্বের সব খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন। বাংলাদেশেও দিনটি সমমর্যাদায় প্রতিবছর উদযাপিত হয়।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, মহান যীশুখ্রিষ্টও একইভাবে তাঁর অনুসারীদের অসত্য ও অন্যায়ের পথ পরিহার করে পরিশুদ্ধ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে উপদেশ দিয়েছেন। বড়দিন একটি ধর্মীয় উৎসব। আর প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবের অন্তর্লোক হচ্ছে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও শুভেচ্ছা। মহামানবদের প্রদর্শিত পথ অনুসরণই বয়ে আনতে পারে সার্বিক কল্যাণ।