০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে প্রথম স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মেহেরপুরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে প্রথম স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও আসামিদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এই রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালে ৩০ জানুয়ারি সদর উপজেলা যাদবপুর গ্রামের নবীছদ্দিনের ছেলে সাইদুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনের সহযোগিতায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা খাতুনকে হত্যা করে ওই গ্রামের মাঠের মধ্যে পুঁতে রাখেন। পরে গ্রামের কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর সদর থানার এসআই হাসান ইমাম নিহতের স্বামী ও স্বামীর প্রথম স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

আদালত দীর্ঘ স্বাক্ষী গ্রহণ শেষে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত দুই আসামিই পালাতক ছিলেন। আদালতে সরকার পক্ষের কৌঁসুলি হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট কাজী শহিদুল ইসলাম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে প্রথম স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত : ০৬:৪১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

মেহেরপুরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে প্রথম স্ত্রীসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও আসামিদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এই রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালে ৩০ জানুয়ারি সদর উপজেলা যাদবপুর গ্রামের নবীছদ্দিনের ছেলে সাইদুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনের সহযোগিতায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা খাতুনকে হত্যা করে ওই গ্রামের মাঠের মধ্যে পুঁতে রাখেন। পরে গ্রামের কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর সদর থানার এসআই হাসান ইমাম নিহতের স্বামী ও স্বামীর প্রথম স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

আদালত দীর্ঘ স্বাক্ষী গ্রহণ শেষে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৩০২/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত দুই আসামিই পালাতক ছিলেন। আদালতে সরকার পক্ষের কৌঁসুলি হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট কাজী শহিদুল ইসলাম।